কার স্বার্থে বাংলাদেশের বুকে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র????

1

জিসাফো এক্সক্লুসিভ: সুন্দরবন শেষ করে , সব সভ্যতা ধ্বংস করে ও রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পক্ষে আওয়ামীলীগ ও তাদের কিছু সমর্থক।

যে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ভারতে নিষিদ্ধ , সেই প্রকল্প বাংলাদেশের বুকে কার স্বার্থে ?

সুন্দরবনের কাছে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কারণে পরিবেশের উপর নেতিবাচক কিছু প্রভাব পড়লেও প্রকল্পটি না সরানোর পক্ষেই সরকার অটল থাকবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

Stop The Coal Plant, Save The Sundarbans

UNESCO: Stop the coal plant, save the Sundarbans

Sundarban means the largest mangrove forest. Sundarban means the World Heritage Site. Sundarban means livelihood of a million poor people. Sundarban means a natural huge protection for 40 million people against natural disaster. Sundarban means a big shelter against climate change.

But in the name of power generation Indian NTPC, and Bangladesh Orion are building big coal fired power plants near Sundarban. More commercial projects are in the process. Studies confirm that these are going to destroy Sundarban.

রামপাল বিদ্যুত্কেন্দ্রটি ভারতের বাতিল প্রজেক্ট। বিদ্যুৎ উৎপাদনের বহু বিকল্প আছে কিন্তু সুন্দরবনের কোনো বিকল্প নেই।

কয়লাভিত্তিক প্রকল্প বন্ধ করেছে ভারত। রামপালের এই প্রকল্প ভারতে নিষিদ্ধ কেন ?

২০০৭ সালে ভারতের রাজীব গান্ধী ন্যশনাল পার্ক থেকে ২০ কিমি দূরে ১০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র করার পরিকল্পনা করে, কিন্তু জনগনের বিরোধিতার কারনে ২০০৮ সালে এই প্রকল্প বাতিল করতে বাধ্য হয় ভারত সরকার।

” দ্য হিন্দু, ৮ অক্টোবর ২০১০ সালের খবরের শিরোনাম ছিল – ভারতের এনটিপিসি তার নিজ দেশ ভারতের মধ্যপ্রদেশে ১৩২০ মেগাওয়াটের একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের প্রস্তাব দিয়ে সরাসরি এবং তদন্তের বিশ্লেষণে প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল (NTPC’s coal-based project in MP turned down অর্থাৎ ” এনটিপিসি’র কয়লা ভিত্তিক প্রকল্প বাতিল।

কৃষি ও পরিবেশগত সমস্যা হবে, সে কারণেই ভারত সরকার এনটিপিসির প্রস্তাব বাতিল করে দেয়। ২০০৭ সালে রাজীব গান্ধী ন্যশনাল পার্ক থেকে ২০ কিমি দূরে ১০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র করার পরিকল্পনা করে, কিন্তু জনগনের বিরোধিতার কারনে ২০০৮ সালে এই প্রকল্প বাতিল করতে বাধ্য হয় ভারত সরকার।

এরপর ও কেন বাংলাদেশের জনগণ বুঝে না ?

আমরা কি দেশের উন্নয়ন চাই , জাতির উন্নতি চাই। কিন্তু ভয়ঙ্কর বিপদের চুক্তি করে এমন উন্নতি কি যুক্তি সঙ্গত ? উন্নয়নের নামে ভয়ঙ্কর ক্ষতির কারণ বিষাক্ত কার্বন-সালফার-নাইট্রোজেন, ধোঁয়া-ছাই মিশ্রিত বিষাক্ত ধোয়া ?

বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ সমীক্ষা অনুযায়ী, রামপাল কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে প্রতিদিন ১৪২ টন বিষাক্ত সালফার ডাই অক্সাইড, ৮৫ টন বিষাক্ত নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড নির্গত হবে। বছরে ৯ লাখ টন অত্যন্ত ক্ষতিকর বিষাক্ত ছাই বাতাসে মিশবে। তার পর ????