এরপর রাস্তায় দেখলে বেশ্যালয়ে বেচেঁ দিবো

0

জিসাফো  ডেস্কঃ কুমিল্লা জেলার চান্দিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজ জাতীয়করণের সিদ্ধান্ত পূণ:বহালের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা। এসময় পুলিশের সাথে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীরা আন্দোলনরত ছাত্রীদের উপর লাঠিচার্জ করে।স্থানীয়’ ছাত্রলীগ এক নেতা টুম্মা নামের “ছাত্রীর চুলে ধরে টেনে হিচরে নিতে নিতে বলে,এরপর রাস্তায় দেখলে বেশ্যালয়ে নিয়ে বেচেঁ দিবো”। এতে অন্তত ১৫ ছাত্রী আহত হয়। তাদেরকে চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠানো হয়েছে। এদের মধ্যে গুরুতর আহত হয় ৮ জন।

রোববার (২৪ জুলাই) দুপুর ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত চলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন। আহতদের মধ্যে কলেজ ছাত্রী সাফিয়া আক্তার, রোকেয়া আক্তার, মনিরা, মাহমুদা, তানজিনার নাম জানা যায়।

চান্দিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজ এর শিক্ষার্থী তন্নী, তানিয়াসহ অন্যান্য শিক্ষার্থীরা জানান, সারা দেশের ১৯৯টি কলেজ জাতীয়করণের তালিকায় উপজেলা সদরের চান্দিনা মহিলা ডিগ্রি কলেজ এর নাম অর্ন্তভূক্ত হওয়ার পর একটি মহল তাদের কলেজর নাম পরির্বন করে উপজেলা সদর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরের দোল্লাই নবাবপুর কলেজ এর নাম নির্ধারণ করেন।

জাতীয়করণের তালিকায় কলেজর নাম পূণ:বহালের দাবিতে গত ছয়দিন যাবৎ তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। দুপুরে কলেজ থেকে একটি মিছিল বের হলে চান্দিনা থানা পুলিশ এতে বাধা দেয়। প্রায় এক ঘণ্টা পুলিশের বাধার মুখে তারা রাস্তায় অবস্থান করে।

পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে মিছিলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পৌঁছলে পুলিশসহ যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী তাদের লাঠিপেটাসহ শারিরীক নির্যাতন করে।যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী তাদের অকথ্য ভাষায় গালিবাজিও করে।

স্থানীয়’ ছাত্রলীগ এক নেতা টুম্মা নামের এক ছাত্রীর চুলে ধরে টেনে হিচরে নিতে নিতে বলে,এরপর রাস্তায় দেখলে বেশ্যালয়ে নিয়ে বেচেঁ দিবো।আমরা কোন নৈরাজ্য চাইনা বাচঁতে চাইে রাস্তা ছাড়,ছাত্রলীগ নেতার নাম ভয়ে মেয়েটি প্রকাশ করেনি।

চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বরত ডাক্তার জানান, আহত অন্তত ১৫ ছাত্রীকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। এদের মধ্যে ৮জনকে ভর্তি করা হয়েছে, অন্যান্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা চলছে।

এ ব্যাপারে চান্দিনা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রসুল আহমেদ নিজামীর সাথে কথা বলতে চাইলে তিনি জানান, এখন ব্যস্ত। শিক্ষার্থীদের নিয়ন্ত্রণ করার পর কথা বলবেন।