একজন শিমুল বিশ্বাস অতপর কিছু কথা

0

ডেস্ক রি‌পোট :  অন লাইনে কোন এক “কর্নেল গুলজার” নামক আইডি থেকে জনাব এ্যাডভোকেট শিমুল বিশ্বাস কে নিয়ে লেখাটা নজরে পড়ল। অনেক বড় পোষ্ট ১৭ টা পয়েন্ট দিয়ে ওয়ার্ড পেজে নিলে ৬ পৃষ্ঠা হয় দৈর্ঘ্যে। মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। দুইবার ই পড়লাম। লাইক ৮০৯ টা শেয়ার ৮৬১। ভালো কর্নেল গুলজার আইডির মেরিটের তুলনায় অনেক বেশী দৃষ্টি আকর্ষন করতে পেরেছে। এই কর্নেল গুলজার আইডি কে সরাসরি চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত করে অল্প কিছু দিন আগে এক জন পরিক্ষিত জন প্রিয় জাতীয়তাবাদী এ্যাক্টিভিষ্ট জাহিদ হাসান ওপেন পোষ্ট দিয়েছিল। উনার পোষ্টে আরো কেউ কেউ এই গুলজার আইডিকে লেখা চুরির প্রমান সহ হাতে নাতে উপস্থাপন করে। মানে গুলজার অন্যের জন প্রিয় লেখা নিজের বলে অহরহ চালায়। সেই লেখা চোর ছয় পৃষ্ঠার একটা লেখা লিখবে অনেক টা অবিশ্বাস্য। মানে এই হিট খোর আইডি লাইক পাবার জন্য কোন নৈতিকতার বালাই রাখে না। লেখাটার দ্বিতীয় লাইন দিয়েই শুরু করি

 

“আজ দেখার সৌভাগ্য হলো, একজন যোগ্য চামচার প্রতিকৃতি, যার নাম রুহুল আমিন। শিমুল বিশ্বাস নামক একটা অবিশ্বস্ত প্রাণী আছে খালেদা জিয়ার পালে, আর সেটার তল্পিবাহক হিসাবে আবির্ভূত হয়েছেন রুহুল আমিন।” এর পর পোষ্টে ৬ নাম্বার পয়েন্টে জনাব রুহুল আমিন কে তারেক রহমান আর মরহুম কোকো র গৃহ শিক্ষক হিসাবে ব্যাঙ্গ করেছেন। অথচ উনি জনাব রুহুল আমিনের পরিচয়টা শুধু গৃহ শিক্ষক হিসাবে ব্যাঙ্গই করেছেন কিন্তু অন্য পরিচয় দেন নি ইচ্ছাকৃত ভাবে।

 

জনাব রুহুল আমিন নরসিংদির মনোহরদী উপজিলার পাইকান গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয় থেকে বিজ্ঞানে স্নাতোকোত্তর ডিগ্রী ধারী সাংবাদিক পেশার সাথে জড়িত। দেশী বিদেশী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পত্রিকায় উনার শতাধিক প্রবন্ধ ছাপানো হয়েছে। নিজে একটি সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক। উনার প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর নাম একটু খেয়াল করুন, মৃত্যুঞ্জয়ী জিয়া ( জিয়ার ওপর লেখা সব থেকে বড় তথ্য নির্ভর বই পৃষ্ঠাঃ ১০৮৪), জিয়াউর রহমান স্মারকগ্রন্থ ( পৃষ্ঠাঃ ১০২৩, জিয়াউর রহমান কে নিয়ে বিভিন্ন সন্মানিত মানুষ গুলোর লেখা এক অসামান্য স্মারক গ্রন্থ), আমাদের জাতীয়তাবাদ – বাংলাদেশী না বাঙ্গালী, বেগম খালেদা জিয়াঃ স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন ও মুলধারার নেতৃত্ব, ছোটদের জিয়াউর রহমান, কমলের কথা, বেগম খালেদা জিয়া গৃহ বধু থেকে দেশনেত্রী সহ আরো অসংখ্য অসাধারন বইয়ের স্রষ্টা। জনাব তারেক রহমান আর মরহুম কোকোর শিক্ষক ছাড়াও নিজ যোগ্যতায় জাতীয়তাবাদী মানুষ গুলোর অন্তরে নক্ষত্রের মত প্রজ্জ্বলিত। সেই মানুষ টাকে গুলজার আইডির পেছনের এক অযোগ্য লেখা চোর হিট খোর কত অবলীলায় অপমানের পর অপমান জনক ভাবে উপস্থাপন করছে।

images (3)

জাতীয়তাবাদের দীপ্ত শিখায় নিজ প্রজ্ঞায় আলোকিত একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষ কে গুলজার আইডির পেছনের লেখা চোর নিজেকে ভুইফোর জাতীয়তাবাদী প্রমান করতে জনাব রুহুল আমিন কে যে গালি দিবে তাতে অবাক হবার খুব বেশী কিছু নাই। অবাক লাগে যখন দেখি একজন জাতীয়তাবাদী ও এই রুহুল আমিন সাহেবের পরিচয় দিচ্ছেন না (ছবিতে দেখুন দেশ নেত্রীর সাথে জনাব রুহুল আমিন।) এ ধরনের আরো ভুড়ি ভুড়ি ছবি দেয়া যায় কিন্তু প্রচার বিমুখী এই মানুষ টির এই ছবিটিও উনার বিনা অনুমতি দিলাম প্রমান দাখিল হিসাবে। এই অন লাইনের সুপার ফার্ষ্ট জেনারেশান মনে হয় জনাব রুহুল আমিনের নাম ও শুনে নি তবে জাতীয়তাবাদী কুৎসাদলের এ্যাকটিভ সদস্য কর্নেল গুলজার আইডিকে ঠিক ই লাইক দেয়। আফসোস এই প্রজন্ম এই সব নিম্ন শ্রেনী ইতর জাতীয়তাবাদীদের লেখা দেখে অথচ জনাব রুহুল আমিনের নাম ও শুনে নি। অবশ্য বিএনপি এর মুল্য ও দিচ্ছে।

 

পাবনায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জনাব শিমুল বিশ্বাসের জন্ম। প্রাচুর্য্যের মধ্যে বড় হলেও সমাজ পাল্টানোর চেতনা থেকে এক সময় বাম রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে এই দেশের আর্থ সামাজিক পরিস্থিতিতে যে এদেশে বাম রাজনীতির অসারতা উপলদ্ধি করে শহীদ জিয়ার আদর্শে উদ্ভুদ্ধ হয়ে বিএনপিতে যোগ দেন ১৯৯৮ সালে। ২০০১ এ বিএনপির আমলে বি আই ডব্লিউ টি সি তে চেয়ারম্যান ছিলেন। উনি চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় উন্নয়নের ফিরিস্তি না দিয়ে শুধু এটুকুই বলি ১/১১ এর সরকার এবং এর পর আওয়ামী সরকার ও তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন তদন্ত করে কোন অসঙ্গতি বের করতে পারে নি অথচ কত অবলীলায় জনৈক কর্নেল গুলজার আইডি শিমুল বিশ্বাস এর বি আই ডব্লিউ টি সি তে শত শত কোটি টাকার জালিয়তি বের করে ফেলল। ব্রাভো জনাব কর্নেল গুলজার ওরফে মাষ্টার দা সূর্যসেন ওরফে জনাব ইমরান আহমেদ প্রিন্স।

 

শিমুল বিশ্বাস আর DGFI কে জড়িয়ে যে হাস্যকর গল্পের ফাদ পেতে বসেছে তাতে নিজের লেখাতেই মাঝে মাঝে খেই হারিয়ে ফেলছে। কখনো শিমুল বিশ্বাস কে হাজার কোটি টাকার মালিক বানিয়ে ফেলায় গল্পের স্বার্থে আবার কিছুক্ষন পর নিজেই নিজের অজান্তে স্বীকার করেন উনার চলাফেরা দেখলে অনেকেই বিভ্রান্ত হবেন কারন উনার নিজের বাড়ী নাই, গাড়ী নাই। হাজার কোটি টাকার মালিক জনাব শিমুল বিশ্বাস এর নিজের কোন বাড়ী, গাড়ী নাই। নেই কোন ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান। এটাই সত্য।

 

ম্যাডামের ক্যান্টনমেন্টের বাড়ী আওয়ামীলীগ সরকার যখন বরাদ্দ নেয় তার জন্য শিমুল বিশ্বাস দায়ী।মীর্জা আব্বাসের বার বার জেলে যাওয়া (DGFI তাকে হুমকি দিয়েছে, বাড়াবাড়ি করলে চৌধুরী আলমের মত ভুড়ি কেটে নদীতে ভাসিয়ে দেবে লাশ), সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর এরেস্ট হয়ে যুদ্ধপরাধের অভিযোগে ফাঁসিকাষ্ঠে, এসবই আমাদের শিমুল কর্তার বদৌলতে হয়েছে, জেনে রাখুন ভাইবোন সবাই ( কর্নেল গুলজারের ষ্ট্যাটাস থেকে কপি করা এই প্যারাটুকু)। ম্যাডামকে সিটের হিসাব নিকাশ ও নাকি শিমুল বিশ্বাস এর হিসাবে দেয়া। নয়া পল্টনে জাতীয়তাবাদী মানসিকতার সাবেক আমলাদের ঐক্যবদ্ধ করাও শিমুল বিশ্বাসের অপরাধ। ( গল্পের গরু আকাশ দিয়ে ঊড়ে)

 

এক পর্যায়ে তারেক রহমান ও মরহুম কোকোর গৃহ শিক্ষক অসংখ্য জাতীয়তাবাদী দলিলের রক্ষক জনাব রুহুল আমিনের পত্নীর নাম বেগম শিমুল হওয়ায় তাকে জড়িয়ে অশ্লীল ঈঙ্গিত করতে ও কর্নেল গুলজার ওরফে ইমরান আহমেদ প্রিন্সের বিন্দুমাত্র দ্বিধা হয় নি। আর আপনারা তাতে লাইক কমেন্ট করে উৎসাহ দিয়েছেন।

 

ধর্ম মানুষের ব্যাক্তিগত বিশ্বাস। সেখানে শিমুল বিশ্বাস এক সময় বাম রাজনীতি করেও কেন নামায পড়ছেন সেটা নিয়ে কটাক্ষ করতেও তারেক রহমানের জড়িয়েছে। মানুষ কত নোংরা হলে এটা করে।

 

পুরা ষ্ট্যাটাস টি মিথ্যার বেসাতি ছাড়া আর কিছু না। যেভাবে শিমুল বিশ্বাস কে এখানে উপস্থাপন করা হয়েছে তাতে মনে হচ্ছে বেগম জিয়ার কাছে যেতে হলে এক মাত্র শিমুল বিশ্বাস এর মাধ্যমে যেতে হয়। অথচ সত্যিকার ব্যাপার টা হল সিনিয়র পর্যায়ের যে কোন নেতা শিমুল বিশ্বাস ছাড়াও সরাসরি দেখা করার অধিকার রাখে। তাদের বেগম জিয়ার কামরায় যেতে শিমুল বিশ্বাসের পারমিশান নিতে হয় না। যে কোন সিনিয়র নেতা ধরেও যে কেউ বেগম জিয়ার সাথে দেখা করতে পারেন। যারা গুলশান অফিসে আসা যাওয়া করেন তারা এটা ভালো ভাবেই জানে। আবার লন্ডনে থাকা তারেক রহমানকেও নাকি এই শিমুল বিশ্বাস হাত করে রেখেছেন। কি মারাত্মক কথা!

 

শিমুল বিশ্বাস হলেন বেগম জিয়ার ব্যাক্তিগত সহকারী। একজন পি এস বা ব্যাক্তিগত সহকারী হিসাবে উনি অবশ্যই বেগম জিয়ার সমস্ত দাপ্তরিক কাজে বিশ্বস্ততার সহিত পালন করছেন আর এটাই উনার অন্যায়। ভাব খানা এমন বেগম জিয়ার কোন আদেশ পালনের আগে জনাব শিমুল বিশ্বাসের উক্ত ইমরান আহমেদ প্রিন্সের অনুমতি নেয়া আবশ্যক। শিমুল বিশ্বাসের অন্যায় টা কি? দলীয় চেয়ারম্যানের সহকারীর দায়িত্ব বিস্বস্ততার সাথে পালন করাই কি উনার অন্যায়? ১/১১ তে বেগম জিয়া যখন এ্যারেষ্ট হয় তখন এই শিমুল বিশ্বাসকেই এক মাত্র উকিল হিসাবে বেগম জিয়া মনোনীত আম মোক্তার নামা দেন। ব্যাক্তিগত সহকারী নিয়োগ দেয়া ব্যাক্তির একান্ত নিজস্ব ব্যাপার। সেখানে যখন বেগম জিয়া শিমুল বিশ্বাস কে বিশ্বাস করেন জনাব তারেক রহমান তার ওপর আস্থা রাখেন সেখানে বেগম জিয়ার কাছ থেকে যখন কোন অন্যায় আনুকুল্য কেউ পায় না তখনি এসে যায় তার ব্যাক্তিগত সহকারীর ওপর ক্ষোভ।

 

বেগম জিয়ার কনিষ্ঠ সন্তান যখন ইন্তেকাল করেন তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন বেগম জিয়ার অফিসে যায় তখন বেগম জিয়া মানসিক কারনে তার সাথে দেখা করতে অপরাগতা প্রকাশ করেন, সেই খবরটা গেটে প্রধানমন্ত্রীকে দেবার মত সাহস যখন উপস্থিত ২৩ জন সিনিয়র নেতার কারো হয় না তখন ওই শিমুল বিশ্বাস কে সবাই অনুরোধ করেন গেটে শেখ হাসিনাকে এটা জানাতে। নেতদের ডাকে সাড়া দিয়ে বেগম জিয়ার মানসিক অবস্থা শিমুল বিশ্বাস শেখ হাসিনাকে জানান। এটা নিয়ে আওয়ামীলীগ যতনা রাজনীতি করছে আমাদের বলীর পাঠা শিমুল বিশ্বাস কে তার নিয়ে নিজ দলের কিছু কর্মচারী রাজনীতিবিদ বেশি রাজনীতি করছে। শিমুল বিশ্বাসের অন্যায় টা কি ম্যাডামের বক্তব্য অন্যদের কে জানানো?

 

DGFI শিমুল বিশ্বাসকে কখন কোন এ্যাসাইনমেন্ট দিয়েছে তার সমস্ত তথ্য প্রমান কর্নেল গুলজার আইডিকে DGFI সাপ্লাই দিয়েছে। মজার ব্যাপার হল এই সব তথ্য প্রমান শুধু উনাকেই সাপ্লাই দেয়া হয়েছে। উনি সহ নাকি অনেকের কাছেই অনেক প্রমান আছে, কোথায় তার দু’ একটা নমুনা দয়া করে আমাদের দেখালে আমরা কৃতার্থ হব। কথা দিলাম উনি যে সব অভিযোগ দিয়েছেন তার একটা প্রমান হলেও আমি বা আমরা শিমুল বিশ্বাস কে মীর জাফর উপাধি দেব। কিন্তু একটা মেধাহীন লেখা চোরের কারনে শিমুল বিশ্বাস কে আমি মীর জাফর বলব তা তো হতে পারে না।

 

বেগম জিয়ার প্রেস সেক্রেটারী জনাব মারুফ কামাল সোহেল উনার ফেস বুক ষ্ট্যটাসে জনাব শমসের মবিন চৌধুরীর পদত্যাগের সাথে যেভাবে জনাব শিমুল বিশ্বাস কে ঈঙ্গিত করে একটা আবেগী ষ্ট্যাটাস প্রসব করেছেন তাতে বুজাতে চেয়েছেন জনাব শমসের মবিন চৌধুরী শুধুমাত্র জনাব শিমুল বিশ্বাসের অসদাচারনের জন্য দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। আচ্ছা তর্কের খাতিরে আপনার কথা না হয় বিশ্বাস করে নিলাম যে শমসের সাহেব সামান্য কর্মচারী শিমুল সাহেবের অসদাচারন মানতে না পেরে পদত্যাগ করছেন সেটা যদি শমসের সাহেব প্রকাশ না করে আপনাকে কি উপযাজক হয়ে সেটা প্রকাশ করার অনুমতি উনি দিয়েছেন? আপনার এই নীচতার জন্য যে দলীয় প্রধানের অফিসের ভাব মুর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে সেটুকু তো বোজার বুদ্ধি আপনার আছে। আপনি বলতে চেয়েছেন, শমসের মবিন সাহেব শুধুমাত্র শিমুল বিশ্বাসের অসদাচরনের কারনে পদত্যাগ করেছেন! (নিজেকে এত বুদ্ধিমান কেন যে ভাবেন!)

 

শমসের মোবিন সাহেবের সাথে শিমুল বিশ্বাস খারাপ ব্যাবহার করলে শমসের সাহেবের ম্যাডাম পর্যন্ত পৌছাতে কারো মাধ্যম লাগত না, দলীয় অবস্থানের কারনে উনি সরাসরি ম্যাডাম কে ফোন দিতে পারেন। নাকি আপনি বলবেন শমসের সাহেবের ম্যাডাম পর্যন্ত যেতে শিমুল সাহেবের অনুমতি নিতে হবে আর শিমুল সাহেব সে অনুমতি দেয়নি বিধায় উনি অভিমানে পদত্যাগ করছেন (একটু না অনেক দূর কল্পনা হয়ে গেল না?)? শমসের সাহেব কি কি কারনে পদত্যাগ করতে পারে তার একটা হিসাব নিকাষ সবাই জানে বা কাছাকাছি অনুমান করে আপনি এসে থিওরী দিলেন এর জন্য শিমুল বিশ্বাস দায়ী। যেহেতু দুই জনেই এক অফিসে চাকুরী করেন খুব স্বাভাবিক ভাবেই নিজেদের মাঝে ঠোকাঠুকি হবে সেটা আবার নিজেরাই হয়ত ঠিক করে নেবেন কিন্তু নিজেদের ব্যাক্তিগত কোন্দল পাব্লিকলি এনে যেভাবে প্রতিপক্ষকে যে কোন ভাবেই ঘায়েল করার জন্য নিজস্ব থিওরী দেবেন (সত্যি হলে শমসের সাহেব আপনার উক্তির পক্ষে বিবৃতি দিক)সেটা আপনার ব্যাক্তিগত অবস্থান কে তো প্রশ্ন বিদ্ধ করেই দলীয় প্রধানের অফিসের ও বদনাম হয়।

 

বছর দুই এক আগেও আপনি জনাব তারেক রহমানকে নিয়ে একটা ফালতু উদ্ধত্ত্ব মুলক পোষ্ট এই ফেস বুকে আপনার ওয়াল থেকে পোষ্ট করেছিলেন সে ক্ষত এখনো জ্বল জ্বল করছে। আপনাকে নিয়েও অনেক রসালো কাহিনী অন লাইনে কানাঘুষো হয় সেগুলোকে পাত্তা দিলে আপনার পাব্লিক ইমেজ বলে কিছু থাকবে না।

 

নিজ দলীয় মানুষ গুলোকে ঘায়েল করার জন্য দলের ভেতর কিছু নিম্ন শ্রেনীর মানুষ দলের দুঃসময়ে অন্তঃকোন্দল বাড়িয়েই চলছে, বেগম জিয়া আর তারেক রহমান এর শুভাকাঙ্খী সেজে দলের নিভৃতচারী কিছু কর্মীকে দল থেকে তাড়াতে অন লাইন কে বেজ করে কাজ করে যাচ্ছে তাতে দলের প্রতি তাদের যতটা না আন্তরিকতা প্রকাশ পাচ্ছে তার থেকে অনেক বেশী প্রকাশ পাচ্ছে ব্যাক্তিগত মোহের নোংরামি। বন্ধ হোক দলের এই সব হীনতা।