উচ্চমূল্যের কারণে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে না এলপি গ্যাস

0

সরকারি নিয়ন্ত্রণ এবং যথাযথ নীতিমালার অভাবে গৃহস্থালি জ্বালানি চাহিদা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না দেশের সিলিন্ডার গ্যাস। কেন্দ্রীয় ভাবে দাম নির্ধারণের কোন ব্যবস্থা না থাকার সুযোগে, খুচরা বিক্রেতারা ইচ্ছেমত দাম নিচ্ছেন ভোক্তার কাছে।

এ অবস্থায় বিদ্যুৎ বা পাইপ লাইন গ্যাসের মতো গৃহস্থালি জ্বালানি এলপিজি’র জন্য এমআরপি নির্ধারণের উদ্যোগে নেয়ার দাবি ভোক্তা ও এলপি গ্যাস ব্যবসায়ীদের।

সরকারি নিয়ন্ত্রণ এবং যথাযথ নীতিমালার অভাবে গৃহস্থালি জ্বালানি চাহিদা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না সিলিন্ডার গ্যাস। নেই কেন্দ্রীয় ভাবে দাম নির্ধারণের কোন ব্যবস্থা।

দ্রুত নগরায়ন এবং প্রচলিত জ্বালানি উৎস কমে আসায় দিন দিন চাহিদা বাড়ছে এলপি গ্যাসের। তবে সরকারের সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা না থাকা এবং সিলিন্ডার গ্যাসের উচ্চ মূল্যের কারণে এখনো এ সুবিধার বাইরে বৃহৎ জনগোষ্ঠী। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ১২ কেজি’র এলপি গ্যাসের দাম সাড়ে ১১শ’ থেকে ১২শ’ ৬৫ টাকা। তবে সরকার নির্ধারিত মূল্য না থাকায় খোদ রাজধানীতেই ১২ কেজি’র জন্য ভোক্তাদের গুণতে হচ্ছে ১৫শ’ টাকারও বেশি।

দেশে বর্তমানে প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার টন এলপিজি’র চাহিদা পূরণে বাজারে রয়েছে ৭ থেকে ৮টি প্রতিষ্ঠান। সংশ্লিষ্টরা জানান, চাহিদার চেয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ক্ষমতা বেশি থাকলেও কেবল উচ্চ মূল্যের কারণে বাড়ছে না ভোক্তার সংখ্যা। আর এ জন্য এলপিজি সংশ্লিষ্ট খাতে কর মওকুফ এবং প্রয়োজনে ভর্তুকি দেয়ার পরামর্শ তাদের।

তবে গৃহস্থালি জ্বালানি চাহিদা পূরণে সম্ভাবনাময় এ খাতে সরকারি উদ্যোগেরও তাগিদ দিলেন বিশেষজ্ঞরা।

তবে এলপিজি ব্যবহার জনপ্রিয় করতে দাম কমানোর পাশাপাশি নিরাপত্তার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে সরকারকে নিয়মিত সিলিন্ডার পরীক্ষা পদ্ধতি চালুর পরামর্শ তাদের।