ইফা’র নির্দেশনায় জঙ্গিবাদবিরোধী খুতবা পাঠ করেছেন খতিবরা

0

জিসাফো ডেস্কঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) নির্দেশনা অনুযায়ী জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ রাজধানী এবং সারাদেশের মসজিদগুলোতে মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে জঙ্গিবাদবিরোধী খুতবা পাঠ করেছেন খতিবরা।

শুক্রবার জুমার নামাজের আগে দুই পৃষ্ঠার ‘জুমার খুতবা’ পাঠ করেন খতিবরা। এ জন্য জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমসহ সারাদেশের সব মসজিদেই আগে থেকে দুই পৃষ্ঠার এ খুৎবা প্রেরণ করে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শুক্রবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পঠিতব্য খুতবা বাংলাদেশের সকল মসজিদে এটি অনুকরণ ও অনুসরণের জন্য বলা হয়। ‘অশান্তি, জঙ্গিবাদ এবং সন্ত্রাস সম্পর্কে সতর্কীকরণ’ শিরোনামে দুই পৃষ্ঠার একই খুতবা মসজিদগুলোতে পাঠানো হয়।

2016_07_15_18_18_19_ubdFDyQjE1IulMOpe1qQvC5NbzeP0p_originalখুতবায় বায়তুল মোকাররমসহ প্রায় সব মসজিদগুলোতেই ইসলাম প্রচারের নামে মানুষ হত্যার মতো জঘন্যতম কাজ করতে নিষেধ করা হয়। নিরাপদ মানুষকে হত্যা করা জঘন্য অপরাধ। প্রত্যেক মানুষের দায়িত্ব জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়া, সচেতন হওয়া। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনকে সহায়তা করা।

জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুকাররমে শুক্রবার জুমার নামাজের পূর্বের বয়ানে সন্ত্রাসবাদ এবং জঙ্গিবাদবিরোধী বক্তব্য তুলে ধরেন মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মাওলানা মহিউদ্দিন কাসেমী। বয়ানে তিনি বলেন, ‘অশান্তি সৃষ্টির জন্য সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করা হচ্ছে। হামলাকারীরা সংখ্যায় কম, তাদের ভয়ে আমাদের পিছিয়ে থাকা যাবে না। সমাজের সকলের সম্মিলতিভাবে এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে হবে।’ জুমার নামাজ শেষে দেশের জন্য শান্তি কামনা করে দোয়া মোনাজাত করেন তিনি।

বায়তুল মোকাররমে নামাজ আদায়কারী একাধিক মুসল্লি জানান, বায়তুল মোকাররমে জঙ্গিবাদবিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন হুজুর। মোনাজাতেও জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে দোয়া চেয়েছেন। দেশে যেন শান্তিতে থাকে সেই দোয়া চেয়েছেন।

এদিকে জুমার নামাজের বায়তুল মোকাররমে প্রবেশের তিন পথে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিল। মসজিদে প্রবেশের উত্তর ও দক্ষিণে আর্চওয়ে বসানো ছিল। এছাড়া সকল মুসল্লিদের তল্লাশি করে করা হয়।