আমান, হুদা, মওদুদ, মারুফ সহ ৭৭ জনের গোপন মিটিং, বি এন পি ভাঙ্গার ষড়যন্ত্রে মশগুল সংস্কারপন্থীরা

0

গত ২৬ শে অক্টোবর রাত ৯.৪৫ মিনিটের দিকে হোটেল লেকশোর এ একে একে জড়ো হতে থাকেন নাজমুল হুদা, আবু হেনা , শহীদুল হক জামাল, জহির উদ্দিন স্বপন, মেজর হাফিজ, মেজর জেনারেল ( অব:) মাহাবুব, খোকা ও মওদূদ ( টেলিকনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন) , আমানুল্লাহ আমান, মফিকুল ইসলাম তৃপ্তি, শাখাওয়াত হোসেন বকুল, খাইরুল কবির খোকন, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, মারফ কামাল সোহেল গংরা সহ ৭৭/৭৮ জন সাবেক মন্ত্রী, সাবেক এম,পি আমলারা উপস্থিত ছিলেন, এরা সবাই সংগঠন বিরোধী কাজে লিপ্ত আগেও ছিল, এখনো আছে, এরা সবাই তারেক জিয়া এবং ম্যাডামের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে কথা বলে থাকেন, এরাই দলের মধ্যে গ্রুপিং আর তলে তলে শেখ হাসিনার স্বার্থ রক্ষায় সদা ব্যস্ত।

গনতান্ত্রিক আন্দোলনে বিএনপির ভূমিকা, কতিপয় চক্রান্তকারীর বেঈমানি ও বর্তমান অবস্থায় বিএনপির করণীয়:

Untitled-1

বাংলাদেশ আমাদের জন্মভূমি, আমাদের মাতৃভূমি, এদেশের রয়েছে নানান রকমের প্রাকৃতিক সম্পদ, সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে এদেশের মানুষ সহজ, সরল, সৎ, ঐতিহাসিকভাবে অতিথিপরায়ন। এদেশে যেমন জন্মেছে হাজী শরীয়াতুল্লাহ, তিতুমীর, নবাব সিরাজউদ্দৌলা, আবার তেমনি জন্মেছে মীরজাফর আর রায়বল্লভদের, ঠিক তেমনিভাবে ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে শেরে বাংলা এ,কে, ফজলুল হক, মজলুম জননেতা ভাসানী, সোহরাওয়ার্দী, শেখ মুজিব, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যিনি স্বাধীণ বাংলার প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং স্বাধীণ বাংলার প্রথম নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিও বটে। শুধু তাই নয় তিনি সেই এই বাংলাদেশেরি নয় গোটা দক্ষিণ এশিয়ার ঐতিহাসিক ও একমাত্র ব্যক্তি যিনি সামরিক বাহিনী থেকে এসেই তৎক্ষণাৎ দেশবাসীকে গনতন্ত্রের সুমোহনীয় সুবাতাস দিলেন, এবং মুক্ত স্বাধীণ গনতান্ত্রিক ব্যবস্থা বাংলাদেশে সর্বপ্রথম চালু করেছেন, এটাই ইতিহাস যা গায়ের জোরে কেউ কোনদিন মুছে দিতে পারবেনা, আইন আদালত দিয়ে ইতিহাস কখনোই নির্ধারিত হয়নি আর হবেওনা, ইতিহাসকে ছিনতাই করা যায়না, ইতিহাসকে গলাবাজি দিয়ে আবদ্ধ করা যায়না। ইতিহাস কালের বিবর্তনে কেবলমাত্র সত্যকেই ধারন করে। ইতিহাস কারো রক্তচক্ষু পরোয়া করেনা। শেখ মুজিব দেশের মানুষকে ৭০ দশকে গনতান্ত্রিক আন্দোলনের জন্য উজ্জীবিত করেছিলেন চমৎকারভাবে, তিনি স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রবাদপ্রতিম পুরুষ ছিলেন, সে জন্য আমরা সবাই চিরকালই কৃতজ্ঞ তার কাছে, কিন্তু অতীব দু:খের বিষয়, স্বাধীনতার পর দেশবাসী কি প্রত্যক্ষ করলো? সেই ৬৬ সালের শেখ মুজিব কী ছিল, যার গনতান্ত্রিক ভাষণে মানুষের রক্ত উষ্ণ হয়ে যেত? কোথায় সেই ৭০ এর আগে নির্বাচনী ওয়াদা? উপরন্তু শেখ মুজিব স্বাধীনতার পর ধীরে ধীরে একনায়কতন্ত্রের দিকে হাটলেন যা ১৯৭৫ সালে বাকশাল গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গনতন্ত্রের কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিয়েছিলেন।

omipialblog_1269032914_1-baksal

যে শেখ মুজিব স্বাধীনতা বলে জীবনটা উৎসর্গ করবেন বলে ৭ই মার্চে ভাষণ দিলেন সেই একই মুজিব নিজ হাতে গনতন্ত্রকে হত্যা করবেন, এটা তো এদেশের সহজ সরল আমজনতার কল্পনারও বাহিরে ছিল। তাহলে প্রশ্ন এসে যায় শেখ মুজিব কি মানুষকে জ্বালাময়ী ভাষণের মাধ্যমে’ প্রতারিত করেছিলেন? নাকি ওটা ছিল ওনার রাজনৈতিক ষ্টান্টবাজি?? কেননা ৭০ সালের নির্বাচনটাই’ ছিল গনতান্ত্রিক বাংলাদেশ নির্মানের আন্দোলন। স্বাধীণতার মূল এক নম্বর স্লোগান ছিল গনতান্ত্রিক মুক্তি, আপনারাই বলুন স্বাধীনতার পরে সেই মুক্তি কী শেখ মুজিব এক সেকেন্ড এর জন্য দিয়েছিলেন এদেশের মানুষকে ?

bnp1sep

দলে ভাংগনঃ প্রতিষ্ঠার পর বিএনপি অনেক বার ভাঙ্গনের সমুক্ষিণ হয়। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠাদের মধ্যে কয়েকজন জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর দল ছেড়ে দেন। এর মধ্যে মওদুদ আহমেদ অন্যতম।

download

২০০১ সালে নির্বাচনের পর বিএনপি মনোনয়নে দলের প্রথম মহাসচিব অধ্যাপক একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী দেশের রাষ্ট্রপতি হন। কিন্তু কিছু কারনে বদরুদ্দোজা চৌধুরীর সাথে বিএনপি দুরত্ব সৃষ্টি হয়। ফলে প্রায় ছয় মাস রাষ্ট্রপতি থাকার পর বি. চৌধুরী পদত্যাগ করেন।

8545_4833_18123

তিনি বিএনপির একটি অংশ নিয়ে নতুন রাজনৈতিক দল বিকল্প ধারা গঠন করেন। ২০০৬সালে অষ্টম জাতীয় সংসদের মেয়াদ শেষ হবার ঠিক আগের দিন বিএনপির প্রতিষ্ঠাদের একজন কর্ণেল (অব:) ড: অলি আহমেদ বীর বিক্রম বিএনপি সরকারের কতিপয় নেতা কর্মী, মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের নিয়ে বিএনপি ত্যাগ করেন এবং অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্প ধারার সাথে একীভূত হয়ে নতুন রাজনৈতিক দল লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি সংক্ষেপে এল.ডি.পি. গঠন করেন।

download (1)

নিঃসন্দেহে বি চৌধুরী আর অলি আহমেদ অঅত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি। আমরা সবাই আজো তাকে অত্যধিক শ্রদ্ধা করি। আমরা আজো তাকে ভালবাসি। আজ আপনারাই বলুন বি. চৌধুরী বা অলি আহমেদ কি বিএনপি ত্যাগ করে অন্য দল গঠন করে ভাল আছেন? না, নেই। কারন মূল দল থেকে অন্য দলে গেলে মানুষ আপনাকে আর বিশ্বাস করবেনা, মনে রাখতে হবে রাজনীতিতে বিশ্বাস এমন এক পুঁজি যা টাকা ছাড়াই মানুষ তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে অর্জন করতে পারে।  আসুন আমরা সেই বিশ্বাস অর্জন করি সকলে মিলে! আর এক্ষেত্রে আমি মনে করি কোন রাজনৈতিক দলের মধ্যে বিরোধ থাকলে তা মিটিয়ে ফেলাই ভাল। আর রাজনৈতিক দলে বিরোধ মেটানোর সবচেয়ে ভাল উপায় হচ্ছে : আন্তরিক পরিবেশে খোলামন নিয়ে সংস্কার আর সংশোধন হবার মানসিকতা নিয়ে আলোচনার টেবিলে বসা।

নিচে কিছু দলত্যাগী নেতার কাহিনী তুলে ধরা হল অতি সংক্ষেপে :

download (2)

১. আনোয়ার হোসেন মঞ্জু : উনি বিএনপির প্রতিষ্ঠা কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি বিএনপি ছেড়ে যোগ দিলেন মহাভন্ড, বিশ্ববেঈমান, থুতু বাবা বাংলাদেশের মহালম্পট, ঠান্ডা মাথার খুনি, দক্ষিন এশিয়ার মহানির্লজ্জ সামরিক স্বৈরাচারী এরশাদের দলে এবং হয়ে গেলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী, ১৯৮৮ সালের পাতানো নির্বাচনে তিনি হলেন যোগাযোগ মন্ত্রী, পরে ১৯৯৬- ২০০১ এ তিনি ছিলেন তথ্য মন্ত্রী। এরপরে দীর্ঘদিন তিনি কোন নির্বাচনে জিততে পারেন নি, এরপর ২০১৪ সালের পাতানো সাজানো পুতুল নাচের সংসদ নির্বাচনে তিনি ছিলেন অন্যতম মূল ভিলেন। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি আজ পরিবেশমন্ত্রী, আচ্ছা আপনারা সত্যি কথা বলুন তো আজ আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে কেউ সন্মান করে? তার সেই রাজনৈতিক শক্তি, রাজনীতির আভিজাত্য, রাজনীতির সৌন্দর্যময় নায়কোচিত সেই ক্যারিশ্মা নাই কেন? তার চেয়ে লক্ষ কোটি গুন জনপ্রিয় আমাদের রিজভী ভাই যিনি হাসিনার পা চাটা আদালতের ( কেউ কেউ আজকালকার আদালাতকে হাসিনার পেটিকোট বলে থাকেন) হাতে নির্মম নিষ্ঠুরভাবে বন্দী! যারা রাজনীতি করতদ চান তাদেরকে অনেক অনেক ত্যাগ স্বীকার করতেই হয়। আজ দেখুন কোথায় আনোয়ার হোসেন মঞ্জু?রাজনীতির মাঠে তিনি আজ মহাভিলেন, তাই নয় কী?

najmul-huda_23644

২. মি, ব্যারিস্টার নাজমুল হুদাঃ ( যাকে সাধারন বিএনপি কর্মীরা বেহুদা বলে ডাকে) ২০১২ সালের ৬ জুন রেডিও তেহরান থেকে প্রকাশিত সংবাদের মাধ্যমে সারা দেশবাসী প্রথমে জানতে পারে বাংলাদেশের প্রধান বিরোধী দল বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। ২০১২, ৫ জুনের মধ্যে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংলাপে বসার আমন্ত্রণ না জানানোয় তিনি বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেন। ঐদিন বুধবার রাজধানীর তোপখানা রোডে নিজের চেম্বারে সংবাদ সম্মেলন করে পদত্যাগের এই ঘোষণা দেন তিনি। এর আগে গত ২৩ মে সংবাদ সম্মেলন করে ৫ জুনের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীকে সংলাপের আমন্ত্রণ জানানোর জন্য খালেদা জিয়ার কাছে অনুরোধ জানান। ওই সময়ে মধ্যে খালেদা জিয়া সংলাপের আয়োজন না করলে ৬ জুন বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করারও হুমকি দেন তিনি। আজকের সংবাদ সম্মেলনে নাজমুল হুদা জানান, একটি লিখিত পদত্যাগপত্র তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কাছে পাঠিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিএনপির আদর্শে নতুন দল গঠনেরও ঘোষণা দিয়েছেন। তবে দলের নাম এখনও ঠিক করেননি। খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ্য করে পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেছেন, “আজ ৬ জুন ২০১২ সাল। বিএনপিতে আমার শেষ দিন। সুদীর্ঘ ৩৫ বছর বিএনপিতে আমার পদচারণার অবসান। আশা করেছিলাম আপনি সংলাপের ডাক দিয়ে ভয়াবহ পরিণতি থেকে জাতিকে পরিত্রাণ দেয়ার জন্য উদ্যোগ নেবেন। তা আর হয়ে উঠল না। সহিংসতাতেই চলে যাচ্ছে দেশ। দেশ জাতি প্রত্যক্ষ করবে আরও রক্তক্ষয় আরও জ্বালাও-পোড়াও আরও ধ্বংসলীলা আরও লাশ, গুম, হত্যা।” পদত্যাগপত্রে তিনি আরো লিখেছেন, “আমি ভেবেছিলাম বিএনপি ছাড়তে আমাকে বাধ্য করবেন না। কিন্তু আমার ধারণা ভুল প্রমাণিত হলো। ৫ জুনের মধ্যে আমার প্রত্যাশিত আহ্বান ব্যর্থ প্রমাণিত হওয়ায় আমি বিএনপি থেকে পদত্যাগ করছি। আশা করি, আপনি পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে দলের সব কর্মকাণ্ড থেকে আমাকে অব্যাহতি দেবেন।” গণমাধ্যমে দলের স্বার্থ ও শৃঙ্খলাবিরোধী বক্তব্য রাখার দায়ে নাজমুল হুদাকে ২০১০ সালের ২১ নভেম্বর বহিষ্কার করা হয়। আবার ম্যাডাম খালেদা জিয়ার দরদী মনের প্রেক্ষিতে ম্যাডাম নাজমুল হুদাকে আরেকবার ক্ষমা করে দলে কাজ করার নিমিত্তে ২০১১ সালের ৬ এপ্রিল তাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরিয়ে দেয়া হয়। বন্ধুরা দেখুন ম্যাডাম বেগম খালেদা জিয়া কত স্নেহমমতাময়ী। তিনি ক্ষমা করার পরেও সেই নাজমুল হুদা শেখ হাসিনার সাথে আতাত করে, সরকারের কাছ থেকে ১০ কোটি টাকা ঘুষ নেয় তার এক আত্নীয়ের নামে আকাউণ্ট দিয়ে, উদ্দেশ্য ৩টি ক. বিএনপিকে ভাংগতে হবে, বি,এনপি থেকে লোক ভাগাতে হবে, এক্ষেত্রে সাবেক বেঈমান, লম্পট এম,পি আবু হেনা হাসিনার কাছ থেকে ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা ঘুষ নেয়, সাবেক হুইপ শহীদুল হক জামাল নেয় ৭ কোটি টাকা, এদের অভিন্ন লক্ষ্য যে, বিএনপির ভিতরে গ্রুপিং তৈরী করে, বিএনপির ভিতরে ম্যাডাম ও তারেক জিয়ার বিরুদ্ধতা করে দলের লোক ভাগানো, যা বর্তমানে পুরোদমে অব্যাহত আছে। ( পরিচালনায় শেখ হাসিনা ও ডিজিএফ আই) । বিশ্বাস করুন ৩/৪ দিন পুর্বেও এই বেঈমান আবু হেনা , জামাল, হুদা সাহেব আরো ৭৭/৭৮ জন সংস্কারপন্থী বিএনপির সাবেক এম,পি, সাবেক মন্ত্রী, সাবেক আমলাদের নিয়ে বৈঠক করেছেন, তাদের উদ্দেশ্য বিএনপিকে ভেংগে পকেট বিএনপিকে শেখ হাসিনার অধীনে পুতুল নাচের নির্বাচনে গিয়ে হাসিনার নির্বাচনে বৈধতা দেয়া। ২. বিএনফ গঠন করা , আর অন্যান্য ছোট ছোট রাজনৈতিক দল ও জোট গঠন করে শেখ হাসিনার অধীনে ভবিষ্যতে মধ্যবর্তী নির্বাচনে যাওয়া, আর বিদেশী শক্তিদের বুঝানো বিএনপির অর্ধেকের বেশি মন্ত্রী, এম পি তো নির্বাচনে এসেছে, তাছাড়া নাজমুল হুদা, শহীদুল হক জামাল, আবু হেনারা কাদের সিদ্দিকী, আসম আব্দুর রব, গনফোরামের কামাল হোসেন সহ ছোট ছোট বাম দলকেও টানছেন, যাতে করে ভবিষ্যতে দেশবাসী ও বিশ্ববাসীকে বুঝানো যাবে যে এই নির্বাচনে তো সর্বাধীক সং্খক রাজনৈতিক দল অংশ নিয়েছেন। আচ্ছা আপনারাই সত্যি কথাটি বুকে হাত দিয়ে বলুন : *** বাংলাদেশে নাজমুল হুদা একটি পঁচা শামুকের নাম নয়কি?????? এদেশের মানুষ এমনকি নাজমুল হুদাকে তার নিজ আসনে ৫০০০ ভোটও কেউ দিবে????? না না, কক্ষনো না। কারন সে বিএনপির সাথে বেঈমানি করেছে, জনগন সেটা কোনদিন ভালভাবে নেয়নি। আজ সেই সংস্কারপন্থী বলুন আর দলত্যাগীই বলুন, আর বিশ্ববেঈমান ঈ বলুন, সেই সব তথাকথিত নেতা কর্মীদের বলতে চাই, নাজমুল হুদাকে দেখুন, কি পঁচা পঁচেছেন, আজ পর্যন্ত উনি তিন তিনটি রাজনৈতিক দল গঠন করলেন, একটিও আলোর মুখ দেখেনি, আর ভবিষ্যতেও দেখবেনা। আপনাদের জ্ঞাতার্থে বলছি :::::::: ম্যাডামের সমালোচনা করার মত যোগ্যতা আজ বাংলাদেশের কোন মানুষের নেই, উনি তার নিজ কর্মে মহান, উনি গৃহবধূ থেকে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে আজ এ অবস্থায় এসেছেন। আপনাদের মত ডিগবাজী মার্কা নেতা বা নেত্রী নন। তিনিই এই দক্ষিন এশিয়ায় ইতিহাসে একমাত্র আপোষহীন নেত্রী, তাইতো বাকশালীর কন্ঠে ভয়, হিটলারের অন্তরে জালা আর মুখে এইডসের ঘাঁ, তাই তারা সকাল বিকাল বিএনপি বিএনপি করে মরে, আপনারা তারেক জিয়া সম্পর্কে বা তার বিরুদ্ধে কথা বলেন, আচ্ছা আপনারা যারা তারেক জিয়াকে জানেন তারা বলুন তো, বাংলাদেশে তারেক জিয়ার চাইতে নম্র, ভদ্র, জ্ঞানী, সুশিল, সৎ, সাহসী, দেশপ্রেমিক, ইসলামি মূল্যবোধ সম্পন্ন, সমঝদার, সাংগঠনিক জ্ঞানসম্পন্ন তরুন নেতা বিএনপিতে আর কি কেঊ আছে যারা সত্যিকারের বিএনপির প্রতিনিধিত্ত করতে পারে? আছে কি? অসম্ভব। আমি বহু চিন্তা করে, গবেষণা করে দেখেছি নেই, আর তাই শহীদ জিয়া প্রতিষ্ঠিত বিএনপির ক্ষেত্র তারেক জিয়াই সবচেয়ে যোগ্য উত্তরসূরি। আপনারা যারা তার নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন করেন, আপনাদেরকেই বলি গত ৯ বছরে কয়টা মিছিলে রাজপথে ছিলেন? কয়টা পুলিশের বারি খেয়েছেন? কয়জনে আর কয়দিন জেল খেটেছেন? সারাজীবন তো লেকাশোর হোটেল, সারিনা হোটেল, সোনারগাঁও হোটেল, র‍্যাডিসন হোটেলে, গুলশান ১ আর ২ এর নির্দিষ্ট ফ্লাটে লাল লাল পানি খেয়েছেন আর শেখ হাসিনার নির্দেশে বিএনপি ভাংগায় তৎপর থেকেছেন তাই না?

আচ্ছা হে বেঈমানের দল। আপনাদেরই বলি মাসে কয়বার ডিজিএফাআই এর সাথে বৈঠক করেন আপনারা?? সব তথ্য তারেক সাহেব জেনেছেন আরও জানবেন অচিরেই। আপনাদের প্রত্যেক বৈঠকের দিন ক্ষন আলোচনার বিষয়বস্তু সব তারেক সাহেবের নখদর্পণে। বুঝেছেন?
download

৩. মি, মওদূদ আহমেদঃ  মি, মওদূদ আহমেদ, আরেক দলত্যাগী নেতা যিনি ১৯৮৫ সালে এরশাদের সাথে গাঁটছড়া বাধেঁন। যিনি ডিগবাজী বিশারদ, তবে এই ডিগবাজী খেলার মাঠে নয়। এই ডিগবাজী রাজনীতির মাঠে। অবশ্য যারা রাজনীতিকে যারা খেলা মনে করেন তারা, যুগে যুগে কালের বিচারে আখেরে সর্বোচ্চ ঘৃণাই পেয়ে থাকেন, হয়তো সাময়িকভাবে কেউ কেউ মন্ত্রী, উপপ্রধানমন্ত্রী , প্রধানমন্ত্রী, উপপ্রেসিডেণ্ট হতে পারেন কিন্তু সততার মানদন্ডে, রাজনৈতিক ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে মওদূদরা ডাষ্টবিনের কীটের চেয়েও নিকৃষ্ট হবেন।

1_64171_64171

 

এটা হতে বাধ্য। কারন বিশ্বাসঘাতকররা কখনোই অমর হয়না, ফেরাউন কত ক্ষমতাবান ছিল, মানুষ কি তাকে ভাল বলে আজ? কিন্তু একবার ভাবুন ফেরাউনের রাজত্বকাকালে আহারে. ফেরাউন যেন পূর্ব দিকের সূর্যোদয় আর ফেরাউনই যেন পশ্চিমের অস্তাচল, কি সন্মান তার শাসনামলে.. আজ কোথায় ফেরাউন?

download (3)

আজ কেউ কী ফেরাউনকে সন্মান করে ? বন্ধুরা আজ মওদূদ সম্পর্কে এতটুকুই বলবো উনি প্রথমে শেখ মুজিবের পি,এস ছিলেন। আর উনিই আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় শেখ মুজিবের আইনজীবী ছিলেন। এরপর স্বাধীনতার পরে তিনি সংবিধান প্রণয়ন করায় সাহায্য করেন। পরবর্তীতে শহীদ প্রেসিডেণ্ট জিয়ার প্রতিষ্ঠিত বিএনপিতে যোগ দেন। শুরু হয়ে যায় মওদূদ সাহেবের লোভাতুর খেলা। উনি প্রেসিডেণ্ট জিয়াকে হাতে পায়ে ধরে উপ প্রধানমন্ত্রী পদ হাতিয়ে নেন। প্রেসিডেন্ট জিয়া তাকে অত্যন্ত স্নেহ করতেন, কিন্তু ফল হলো উল্টো, মওদূদ সরকারের ভিতরেই গ্রুপিং করতে শুরু করেন এবং এটা এতটাই নগ্ন পর্যায়ের হয় যে, প্রেসিডেন্ট জিয়া তৎক্ষণাৎ তাকে তার পদ থেকে বহিস্কার করেন। শুধু তাই নয় এরপরেও মওদূদ সাহেব ক্ষ্যান্ত থাকেন নি। তার বিরুদ্ধে ব্যাপক দূর্নীতির অভিযোজন আসতে থাকে। তাই জিয়া তাকে কারাবন্দী পর্যন্ত করেন কিন্তু পরে হাসনা মওদূদ আর লে. কর্নেল চাকাল এর মধ্যে গোপন সমঝোতার আলোকে মওদূদ সে যাত্রায় মুক্তি পায়। এরপর এরশাদের দলে যোগ দিয়েই সময় সে নানান ফন্দী করে, বহু চেষ্টা তদবির করে প্রধানমন্ত্রী আর উপ প্রেসিডেন্ট হন। এরপর ১৯৯৫/৯৬ সালে আবার বিএনপি তে যোগ দেয়।
এরপর ২০০১ এ বিএনপি ক্ষমতায় গেলে তিনি আইনমন্ত্রী হন। আর ২০০৬ সালের পর থেকে আজ অব্দি তার প্রতিটা কাজ সন্দেহজনক।তিনি বহুবার বিএনপির মধ্যে বিভেদ ৃষ্টিতে চেষ্টা করেছেন। তিনি নিজে মোবাইলে ফোনে দলের চেয়ারপার্সনের মিটিং এর প্রতিটি বক্তব্য ও সিদ্ধান্ত রেকর্ড করে শেখ হাসিনাকে দিতেন। তাছাড়া বিএনপির আন্দোলনের প্রতিটি খবর তিনি বিশেষ লোক মারফত প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে পৌছাতেন, মাঝে মাঝে ভিন্ন মোবাইল নম্বরে, আবার মাঝে টিলিফোনেও ডিজিএফ আই আর প্রধানমন্ত্রীককে সব খবর জানাতেন। এরকম করলে কি আর দল চলে?
তাই আজ সব জাতীয়তাবাদী শক্তিকে আবার আহবান করছি, * নিজে সৎ হন আর জিয়ার আদর্শকে পুরোপুরিভাবে ধারন করুন। কে কি করলো, কে কোন গ্রুপের, কে কত বড় বা ছোট নেতা তা না দেখে আপনি কি দলের জন্য আর দেশের জন্য কি কি করেছেন তাই মুখ্য বিষয়। অনেকেই খুব আক্ষেপ করে বলেন আমরা দলের জন্য অনেক কিছু করেছি কিন্তু দল পকেট কমিটি করে, দল প্রকৃত ত্যাগী নেতাকে মূল্যায়ন করেনা, তাদেরকে আমি ২ টি কথা বলবো
A. সত্যি কথা বা সত্য কর্মের কোন মরণ নেই, আপনি যদি সত্যি দলের জন্য কিছু করে থাকেন আজ না হোক কাল দল আপনাকে মূল্যায়ন করবেই। আমি তারেক সাহেবের পক্ষ থেকে আপনাদের সাহস দিচ্ছি। তারেক সাহেব সঠিক সময়েই দেশে এসে প্রতিটি ইউনিয়নে পর্যায়ক্রমে গিয়ে আপনাদের কাজ মূল্যায়ন করবেন নিজ হাতে। আমি আপনাদের সেই সৎ আশ্বাস দিচ্ছি। কিন্তু তার আগে কেন্দ্র থেকে, দল থেকে যে যে আদেশ নিষেধ আসবে তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে। এক্ষেত্রে কোন শিথিলতা বরদাশত করা হবেনা, মনে রাখবেন আপনাদের প্রতিটি কাজ, প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, ইঊনিট, থানা, জেলা, বিভাগ মহানগর এর পপ্রত্যেকের কাজ কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে, আর সব রিপোর্ট তারেক সাহেব এর কাছে প্রতিদিন জমা হয়। তাই আপনারা সতর্ক হোন।
kongzi2
B. চীনের কনফুসিয়াস, বিজ্ঞানী নিউটন, আমেরিকার সর্বশ্রেষ্ঠ সাবেক প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন, কিংবদন্তি ফুটবলার পেলে, মাইকেল জ্যাকসন , এরকম আরো হাজারো মহামানব আছেন যারা সবাই সাধারন গরীব ঘরের ছেলে ছিলেন, লক্ষ্য করুন এরা সকলেই জীবনের প্রথমে অনেক কষ্ট করেছেন কিন্তু সমাজ, বা রাষ্ট্র তাদেরকে তৎক্ষণাৎ মূল্যায়ন করেন নি। কিন্তু তাই বলে কি তারা থেমে গেছেন???? না, বরং তারা নব উদ্দমে নতুন করে চেষ্টা সাধনা করে সাফল্য লাভ করেছেন এবং শেষ জীবনে সমাজ ও রাস্ট্র তাদেরকে ঠিকই মূল্যায়ন করেছে। তাই জাতীয়য়তাবাদী ভাই বোনেরা আসুন আমরা আবারো জিয়ার আদর্শে একতাবদ্ধ হই। কোন অন্যায় প্ররোচনায় কান না দেই।
বিএনপির নেতাকর্মীদের করণীয় ও বর্জনীয় :আমি বর্জনীয় অংশটি আগে বলতে চাই কারন যুক্তিবিদ্যার আদলেই বলি যা যা বর্জনীয় নয় তাই করণীয়, আর গনতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতাকর্মীদদের সুবিশাল কাজ থাকবে এটাই স্বাভাবিক, কারন আমাদের আন্দোলন পবিত্র আন্দোলন, এই আন্দোলন অন্ধকার থেকে আলোয় আসার আন্দোলন, এই আন্দোলন জান্নাতের যাবার আন্দোলন, এই আন্দোলন মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর আন্দোলন। এই আন্দোলন মজলুমকে জুলুম অত্যাচার থেকে বাচানোর আন্দোলন, তাই আসুন সংক্ষেপে জেনে নেই জাতিয়তাবাদের ভাই বোনদের বর্জনীয় বিষয়গুলো কি কি….
১. আত্ন অহমিকা, গর্ব করা যাবেনা। কে কি আন্দোলন করছে প্রতিটি কাজ তারেক সাহেব তার নিজস্ব সাংগঠনিক গোয়েন্দাদের মাধ্যমে নির্ভুলভাবে দেখেছন আর জানছেনন। তাই নিজেকে অপরের সামনে বড়াই করার কিছুই নেই। বরং বড়াই করলে ঝগড়া মারামারির সৃষ্টি হয় যা সংগঠনের জন্য মারাত্নক ক্ষতিকর হয়।
২. কেউ কেউ এখন শুধুই ফেসবুক নির্ভর আন্দোলন করেন। আসলে তারা দেখা যযাবে কোনদিন ও একটা পূর্নাংগ মিছিলে যাননা। এরা কি করে? দেখুন যেমন ::::: এরা ফেসবুকে লিখে * এখানে ক্লিক করে ফেইজবুক ফ্যান পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন ** তৃণমূলে অভিযোগ উঠেছে, বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটের যে কোন কর্মসূচি সফল করতে অনলাইনে নানা প্রচার প্রচারনা চলালেও মাঠে দেখা যায় না সে মুখ গুলো। এছাড়াও রাজপথের কর্মসূচিতে ১০/১৫ জন নিয়ে বাড়ির গলিতে মিছিল করে সেই ছবি আপলোডের মাধ্যমে কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়েছে দাবি করে কোন কোন নেতা। আচ্ছা এভাবে প্রতারণা করে কি কোনদিন আন্দোলন হয়? ফেসবুক দিয়েই যদি আন্দোলন হত তবে কবেই তো বাকশালের কুকুরগুলো পালাত কারন কার্যতৎপরতার দিক থেকে অনলাইনে বিএনপির নেতাকর্মীরা ৬৭.৩২% ই অত্যন্ত সক্রিয়, এই সক্রিয়তাকে আমরা অঅবশ্য সাধুবাদ জানাই কিন্তু শুধু অনলাইনে বা ফেসবুক দিয়ে আন্দোলন হয়নি আর ভবিষ্যতেও হবেনা..
৩. অনেকেই আছেন ঘরোয়াআসর বসিয়ে মিটিং করে ফেসবুকে ফটোশেসন করেন, তারেক জিয়াকে দেখানোর জন্য, হা হা হা, আপনাদের কি মনে হয় তারেক সাহেব আপনাদের চালাকি বুঝেন না????? আসলে তিনি সব তথ্যই প্রতিদিন পান। আর এই প্রতারণা করলে সারাজীবনে আন্দোলনে সফল হওয়া যাবেনা। নিজে সৎ থাকুন আর অধীনস্ত নেতাকর্মীদের ও সৎ রাখুন।
৪. সংগঠন এর কাজ ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে অটল থাকুন, কেন্দ্র থেকে যে নির্দেশ আসবে তা অবহেলা করা যাবেনা কোনক্রমেই। উর্ধতন নেতা যে আদেশ দিবেন তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে হবে, কোন সমালোচনা বাহিরে বা বাজারে বা লোকালয়ে করা যাবেনা, এতে দলের প্রতি সাধারন মানুষের বিরুপ ধারনা তৈরি হয়, আর রাজনীতি মানেই মানুষের রায়, তাই মানুষের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধাবোধটুকু অর্জন করুন কাজের মাধ্যমে।
৫. দলের কোন নেতা বা কর্মী খারাপ কাজে জড়িয়ে পরলে তাকে ভাইয়ের মত আদর দিয়ে সংশোধন করুন। সম্ভব হলে মুরুব্বীদের পরামর্শ নিন। কিন্তু খবরদার ফিতনা ৃষ্টিতে সাহায্য করবেন না।
৬. বিএনপিতে মেধার মূল্যায়ন হয় আর ভবিষ্যতেও হবে ইনশাআল্লাহ, তাই পড়াশোনায় ব্যাঘ্যাত ঘটে এমন কর্মসূচি দিবেন না।
৭. বিএনপি তে কেউ বড় বা ছোট নয়, আমরা সবাই বিএনপি কর্মী, আমাদের দেশনায়ক নিজেও বহুবার বলেছেন ::;; * আমরা সবাই বিএনপি কর্মী * পার্থক্য এই যে, স্থান, কাল, পাত্র আর জ্ঞানের পরিকাঠামোয় আমরা বিভিন্ন পদ বা পদবীতে আছি। তাই দলের পদ নিয়ে কোন্দল বা গ্রুপিং বা দলাদলি করা যাবেনা। আমাদের মূল আদর্শ দেশ সেবা, নিজের পেটের সেবা নয়, মনে রাখবেন জিয়ার আদর্শের সৈনিকেরা কখনোই পেটের দায়ে সংগঠন করেনা করেনা। তাই এই বিষয়ে বিশেষ নজর দিতে হবে।
৮. বিএনপির বিরুদ্ধে নানা সময়ে নানা কথা , অপঅপ্রচার প্রচলিত আছে, যা বাকশালের ইবলিশ শয়তানরা আর তাদের পা চাটা কুকুর সম মিডিয়া দিনরাত সাধারন মানুষের কানে পৌছে দিচ্ছে, তাই এক্ষেত্রে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে এক হয়ে জ্ঞান অর্জন করে যার যার এলাকায় প্রতি ঘরে ঘরে দল বেধে সাংগঠনিক ভাইদের রুটিন করে সাধারন মানুষককে সত্য তথ্য জানাতেই হবে, তাহলেই মিথ্যা দূর হয়ে যাবে।
জাতীয়তাবাদ শক্তির করণীয় :
images (16)
১. লেডি হিটলার হাসিনা এখন প্রচন্ড চাপে। তাই এই নির্লজ্জ বেহায়া জানোয়ার আবার ৫ই জানুয়ারীর চেয়েও ঘৃণ্য নির্বাচন করার পায়তারা করছে, সেক্ষেত্রে বিএনপি থেকে ধান্ধাবাজ, সাদারঙবদলানো কিছু বেঈমান আর তাদের কুকুরসম দোসররা দল ভাংগায় আর গ্রুপিং আর কোন্দল তৈরিতে ব্যস্ত। তাই এবিষয়ে গ্রামে, গঞ্জে, পাড়া, মহল্লায় প্রতিবাদ সমাবেশ করে মানুষকে সচেতন করতে হবে। আর দালালদের যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।
12193837_489036277923909_6022478473728993841_n
২. অতি শীঘ্রই আপোষহীন নেত্রী তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দেশনায়ক বাংলার সূর্যসন্তান তারুন্যের প্রতীক জনাব তারেক রহমান সাহেব আন্দোলনের ডাক দিবেন, তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি নিন, কিভাবে আন্দোলন করলে ভাল হবে। কার কার দায়িত্ব কোথায় থাকবে। তা এখনি ঠিক করুন। আর এলাকাভিত্তিক কি কি প্রস্তুতি নেয়া দরকার তা মিটিং এ জেনে নিন আর উর্ধতন নেতাকে চিঠি লিখে অবহিত করুন। আর এসব চিঠি তারেক সাহেব নিজে পড়ে তৃনমূল নেতাদের আন্দোলন এর কৌশল এবং সক্ষমতা জানবেন। তাই এখনি আপনার সুপারিশগুলা কেন্দ্রকে চিঠি দিয়ে জানান।
 bamgladesh-policeman
৩. প্রতিটি এলাকায় জনসংযোগ বাড়ান। আর পুলিশের ভয়ে লুকিয়ে না থেকে এলাকায় নিজের উপস্থিতি আস্তে আস্তে বাড়ান। মনে রাখবেন  সিংহ মরে একবার, আর শিয়াল মরে রোজ রাতে ।
PICT0007
৪. বিএনপির কেন্দ্র ঘোষিত সব কর্মকান্ডে বিশেষকরে মিছিল, মানবন্ধন, সেমিনার এর সময় মোবাইল কাছে রাখুন, যদি পুলিশ বাধা দেয় বা অত্যাচার করে সাথে সাথে ভিডিও করে ফেসবুকে ও অনলাইনে সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিন। এটা অত্যন্ত কার্যকারী
150105122805_police_detain_opposition_activist_in_dhaka_640x360_focusbangla_nocredit
৫. আমাদের হতাশ হওয়া চলবেনা। আশাই আমাদের মূল চাবিকাঠি। শহীদ জিয়া সারাজীবন ৪৩৩৮ টি খাল কেটেছেন প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে, তিনিই তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশকে নিয়ে গিয়েছিললেন স্বনির্ভর বাংলাদেশ এ। তাই জিয়ার সৈনিকদের হতাশা গ্রাস করতে পারেনা। মনে রাখবেনন দুনিয়ার কোন গনতান্ত্রিক আন্দোলনইই ব্যর্থ হয়নি আর হবেও না কিন্তু * মায়ের পেটে বাচ্চা হতে যেমন ৯ মাস ৭ দিন সময় লাগে তেমনি গনতান্ত্রিক আআন্দোলনের বিজয়ও অল্প দিনে হয়না, এর জন্য সাহস, সুমহান ত্যাগ, জান, মাল কুরবানি, ধৌর্য আর আদর্শ প্রয়োজন। আমার দৃঢ বিশ্বাস বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের সকল ভাই বোনদের সেই সাহস, শক্তি ও যোগ্যতা আছে, তাই বিজয় আমাদের হবেই হবে ইনশাআল্লাহ, আর তা অতি সন্নিকটে……!!!!
সঠিক নেতৃত্বের মানে কী?
b343b0e206e87ff0f48257f322daa13a-9
(What is the meaning of A good efficient Leadership ? ) স্তালিন যা বলেছেন তার ব্যাখ্যা আমি করতে চাই: ১. প্রথমেই বলা প্রয়োজন যে, অবশ্যই যথাযথ বা সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এটাই সঠিক নেতৃত্বগুণ এর মূল কথা। ( To take correct effectiven decisions at appropriate Time, places and circumstances, this is the key of any leadership….)
প্রথমত, নেতৃত্বকে পরিস্থিতি প্রেক্ষাপটের মূল্যায়ন করতে হবে এবং সম্ভাব্য পরিবর্তন সম্পর্কে তার ধারণা থাকতে হবে। একটি নির্দিষ্ট স্থানে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিশেষ পরিস্থিতি বিষয়ে তিনি জানার চেষ্টা করবেন।
দ্বিতীয়ত, তাদের কাজকে পার্টির সাধারণ কাজের সাথে সম্পর্কিত করে তুলতে হবে। এবং একটি নির্দিষ্ট সময় বিবেচনা করে কাজ ও নীতিকে একসাথে এগিয়ে নিতে হবে। ( To Make unique congenial relationship between your work and parties thought and vision and try to implement the parties vision and mission in an effective manner)
তৃতীয়ত, এবং এই নীতি অনুসারেই তাকে/তাদের/নেতৃত্বকে সমসাময়িক প্রেক্ষাপট/পরিস্থিতি বিবেচনা সাপেক্ষে যুগোপযোগী স্লোগান ও ট্যাকনিক কর্মপন্থা বা পদ্ধতি নির্বাচন করতে হবে। ( To take the modern Effective Technical support abide by new generation and logical attempt from the mass community people)
চতুর্থত, এরপর তাদের বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা ও নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। এ সবকিছুই তাদেরকে সুগভীর অনুসন্ধান,বাস্তব অবস্থা বা পরিস্থিতি সম্পর্কে জ্ঞান সংগ্রহ এবং বিএনপির নীতি আদর্শকে ঠিক রেখে লক্ষ্য উদ্দেশ্যকে সম্পৃক্ত করতে হবে।
সঠিক সিদ্ধান্ত অবশ্যই কার্যকর করতে হবে।
প্রথমে, পরিকল্পনা কার্যকর করার জন্য পথ বা পদ্ধতি ঠিক করতে নেতৃত্বকে অবশ্যই আলোচনা সভা ডাকতে হবে। ( To call for A meeting )
দ্বিতীয়ত, নেতৃত্বকে অবশ্যই যোগ্য ব্যক্তি নির্বাচন করতে এবং তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ক্ষমতা বা দায়িত্ব প্রদান করতে হবে। ( To dispense The exact power to the Right people so that he can implement the Parties vision and mission Towards subordinate people as well as mass people )
তৃতীয়ত, দায়িত্বপ্রাপ্তদের কাছে/সবার কাছে পার্টি পরিকল্পনা বোধগম্য করতে নেতৃত্বকে প্রচেষ্টা চালাতে হবে। ( To understand and Analysis of the current political thoughts and advices from the subordinate member of the parties )
চতুর্থত, উদাহরণ সৃষ্টির জন্য নেতৃত্বকে সরাসরি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য ব্যক্তিগতভাবে অংশ নিতে হবে। এভাবে নিজে বাস্তবে অংশ নিয়ে নেতৃত্ব আবিষ্কার করবে আদতেই পার্টি লাইন ও কৌশল ঠিক রয়েছে কিনা বা তার কোনো পরিবর্তন সাধন করতে হবে কিনা। ( The leader should know the Technical assistance and how to implement to subordinate member and not only that the ideal leader must know where is the problem and how to solve this problem and try to rule out whether any lackings have or not whehlther parties techniques and strategies are suitable tp combat.current political nuisance situation or not )
সিদ্ধান্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয়েছে কিনা অবশ্যই তার পর্যালোচনা করতে হবে। এই ধরণের পর্যালোচনা করার পদ্ধতি হচ্ছে –
ক) ফাঁকা বুলিতে কান না দিয়ে আদতেই কী কাজ হয়েছে তার আলোচনা করতে হবে বা তার দিকেই দৃষ্টি দিতে হবে। ( Don’t depend on Mouth talking or Exhibitionism . A ideal good leader always emphasized whether Exactly political works and goal has been done or not, that is most important)
খ) কাগজে কলমে কী পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে আমরা শুধুমাত্র সেদিকে নজর দেবো না। বরং, কাজটি হেলাফেলা করে বা গতানুগতিকভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে নাকি উদ্যম–উদ্যোগ নিয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে সেদিকে আমাদের নজর দিতে হবে।
গ) আমাদের আধেয়’র দিকে দৃষ্টি দিতে হবে, আধারের দিকে নয়। অর্থাৎ, কাজ কী হয়েছে সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। কথা কী হয়েছে সেদিকে নয়। এবং তারপর দেখতে হবে সিদ্ধান্ত সত্য সত্যই সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে কিনা অথবা কোথাও তার বিকৃত উপস্থাপন করা হচ্ছে কিনা।
ঘ) এই পর্যালোচনা শুধু যে উপর থেকে নিচে করা হবে তা নয় বরং, নিচ থেকে উপরেও তার পর্যালোচনা করতে হবে। ( To implement and Analysis of the individual performances in political parties should be observed not only from Top to down but also Down to Top , and remember this is The key of a Best leadership )
ঙ) পর্যালোচনা করার সময় নেতৃত্বকে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত থাকতে হবে। স্তালিন যেমন বলেছিলেন, নেতৃত্বকে অবশ্যই জনগণের সাথে গভীর সম্পর্ক রাখতে হবে। এবং নেতৃত্ব এবং জনগণ যে অভিজ্ঞতা লাভ করেছেন তার মধ্যে সংশ্লেষ ঘটাতে হবে। শুধুমাত্র এভাবেই সঠিক নেতৃত্ব সৃষ্টি হতে পারে। ( Stalin says A ideal Leadership must concern with public relations and public interest and try to increase the relationship between people and leadership and by this way A best leadership can be achieved )
বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী দলের সকল স্তরের নেতৃত্বের করণীয় কর্তব্য:
IMG_8016
আমি আমার গবেষণা থেকে মনে করি, নেতৃত্বের করণীয় কর্তব্যের মধ্যে রয়েছে কর্মী বা ক্যাডারদের উপযুক্তভাবে কাজে লাগানো এবং নীতিকৌশল বাস্তবায়ন করা। এটাই সত্য। ভেঙে বলতে গেলে, আমার মতে,সেগুলো হবে –
১. নেতৃত্বস্থানীয় কর্মীদের আদর্শিক ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের প্রতি নজর দিতে হবে। এটার মাধ্যমে এটা বোঝায় যে, তারা বা নেতৃত্ব প্রতিনিয়ত তাদের আদর্শিক মান উন্নত করবে এবং তাদের নিজস্ব রাজনৈতিক প্রশিক্ষণ দৃঢ়বদ্ধ করবে। আমরা আমাদের জাতীয়তাবাদী ভাই বোনদের নিচের বিষয়ে মনোযোগ দিতে বলবো:
ক) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ নিবদ্ধ করা।
খ) রাজনৈতিক নজরদারী সুসংহত করা।
গ) তাত্ত্বিক মান বাড়িয়ে তোলা।
ঘ) পার্টির অভ্যন্তরে এবং বাইরে আদর্শিক সংগ্রাম তীব্রতর করে তোলা এবং
ঙ) পার্টির নীতিকৌশল ও সফলতা বিষয়ে সক্রিয়ভাবে প্রচারণা চালানো।
২. নেতৃত্বদানকারী কর্মীদের অবশ্যই সাংগঠনিক নেতৃত্ব প্রদান বিষয়ে সুচিন্তিত মত দিতে হবে। যখন রাজনৈতিক লাইন ঠিক হয়ে যায়, তখন রাজনৈতিক কাজই সবকিছুর নির্ধারক হবে। নিচের কয়েকটি পয়েন্টের উপর আমরা জাতীয়তাবাদী সকল শক্তিকে নজর দিতে বলবো:
ক) সাংগঠনিক নেতৃত্বকে রাজনৈতিক নেতৃত্বের কাতারে আনতে হবে। অন্যভাবে বলতে গেলে সকল কাজকেই নীতিকৌশলের ভিত্তিতে ঠিক করতে হবে এবং রাজনৈতিক কাজের সাথে সংযুক্ত হতে হবে।
খ) নিত্যদিনের সকল কাজ সহ সাংগঠনিক কাজসমূহকে নিশ্চিতভাবেই পার্টির রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্যই করতে হবে এবং তা করতে হবে বিএনপির কর্মপরিকল্পনার সাথে সংগতি রেখে। গ) বিএনপির দৈনন্দিন নেতৃত্ব পরিচলনার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এতে পার্টি সংগঠনসমূহ তৃণমূলের সাথে সম্পৃক্ত থাকবে এবং তাদের কাজ অনেক অনেক বেশি মূর্ত নির্দিষ্ট হবে।
ঘ) সকল সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য পার্টি সংগঠন ও জনগণকে গতিশীল করতে হবে।
ঙ) আমাদের অবশ্যই বিএনপির মধ্যে সকল ধরণের সুবিধাবাদীতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে হবে। অর্থাৎ, কর্তব্যে অবহেলা বা ফাঁকি দেয়া, ফাঁকা বুলি আওড়ানো, ক্রোধ,আমলাতান্ত্রিকতা, আনুষ্ঠানিকতাবাদ(ফরমালিজম) লাল–ফিতার গতবাঁধা কাজ বা গতানুগতিকতা ইত্যাদি নানাধরণের সুবিধাবাদিতা, দুর্নীতি,অধঃপতন ইত্যাদি আমাদের পরিহার করতে হবে।
৩. বিএনপিতে কর্মী নির্বাচনের সময় এবং তাদের কাজে লাগানোর সময় দূরদর্শী বা বিচক্ষণ হবে। এটাও সাংগঠনিক কাজের অংশ। তবে তাকে পৃথকভাবেও আমলে আনা যায়। কর্মী নির্বাচনের সময় প্রথমে রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতার দিকে খেয়াল করতে হবে। এরপর কর্মী নির্বাচনের ক্ষেত্রে দক্ষতা এবং গুণাবলী এ দুটো যৌথভাবে হবে অপরিহার্য মানদন্ড। রাজনৈতিক নীতিবোধের ভিত্তিতে কর্মী নির্বাচন না করার কারণে পার্টির যে ক্ষতি হয়েছে সে বিষয়ে স্তালিন একবার আলোচনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন,এমন ধরণের ব্যক্তি যেখানেই যান সেখানেই সাথে একগাদা সফরসঙ্গি থাকে এবং তারা শুধুমাত্র তাদেরই নিয়োগ করেন যাদেরকে তারা তাদের ‘নিজস্ব লোক‘বিবেচনা করেন। সংশোধনবাদী আন্দোলনের উপর মাও সেতুঙ যে রিপোর্ট প্রদান করেন সেখানে তিনি এ ধরণের ব্যক্তিকে “সততাহীন” ব্যক্তি হিসেবে মন্তব্য করেছিলেন। That was the failing of those “imperial envoys who rushed everywhere”. Given a cadre’s political trustworthiness, it is still important to use him properly (in the light of time, place and circumstances).
৪. অবশ্যই কাজের পর্যালোচনা করতে হবে। ব্যক্তিগতভাবে একজন কর্মীর কাজের মূল্যায়ন এবং কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন বিষয়ে অবশ্যই পর্যালোচনা করতে হবে। স্তালিন বলেছিলেন,পর্যালোচনার উদ্দেশ্য হচ্ছে: প্রথমত, কর্মীর গুণাবলী সম্পর্কে জানা বা বোঝা। দ্বিতীয়ত, কার্যনির্বাহী কাঠামো বা বডির দক্ষতা এবং ভুলভ্রান্তি চিহ্নিত করা। তৃতীয়ত, যে কার্যাবলী/করণীয় বা নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিলো তার গুণ/কার্যকারিতা বা ভুলভ্রান্তি যাচাই করা। অনেক নেতাই মনে করে এ ধরণের পর্যালোচনায় তাদের দুর্বলতা প্রকাশ পাবে,তাদের মান মর্যাদা চলে যা বা প্রেস্টিজ পাংচার হবে অথাব এতে তাদের নিজের ওপর আস্থায় ভাটা পড়বে। এটা ঠিক নয়, নেতা ভুল শুধরে তাদের মান বাড়ান, তা লুকিয়ে রেখে নয়। নেতাকে কঠোর পরিশ্রম করেই নিজের মান মর্যাদা অর্জন করতে হয়, বড়াই করে বা নিজেকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে উপস্থাপন করে নয়। ভুল শুধরাতে পারলে আস্থা বাড়বে, কমবে না। যারা সফল নয় এবং যারা শুধুমাত্র মুখ দেখানোতেই সজাগ থাকে তারাই ভুল বা দোষত্রুটি প্রকাশ করতে ভয় পায়।
৫. হে জাতীয়তাবাদী ভাই বোনেরা, জনগণের সাথে থাকো। নেতা শুধু জনগণকেই শিক্ষা দেন না, বরং তাদের কাছ থেকেও তারা শিক্ষা নেন। এর কারণ হচ্ছে, নেতার নিজের জ্ঞান সীমিত এবং অভিজ্ঞতাও অপর্যাপ্ত। নেতা হলেই তার নিজের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা গজাবে না, তাই জনগণের কাছে গিয়ে অভিজ্ঞতা অর্জন করা অপরিহার্য। আমরা সবাইকে বলব
ক) জনগণের কাছে যান, তাদের সাথে সম্পর্ক রক্ষা কর এবং পারতপক্ষে কেনো সময় তাদেরই একজন হও। খ) জনগণের কথা শুনুন।
গ) তাদের কাছ থেকে শিখুন।
ঘ) তাদের লেজ না ধরে বা তাদের পিছনে পড়ে থাকা নয় বরং তাদের শিক্ষা দেবার উদ্যোগ নিন। জনগণকে নেতৃত্ব দেয়া এবং তাদের বন্ধু হওয়া ( To lead the people and To become the best friend )
১. জনগণকে পার্টি সদস্যদের মতো নেতৃত্ব দেয়া যায় না।জনগণকে নেতৃত্ব দেয়ার সময় বা তাদের সাথে আচরণের সময় তারা এমন যেন না ভাবেন যে, আমরা তাদের উপর নেতৃত্ব ফলাচ্ছি/চাপিয়ে দিচ্ছি।
২. জনগণকে নেতৃত্ব দেয়ার মৌলিক পদ্ধতি হচ্ছে, তাদের উজ্জীবিত করা, তাদের উপর কমান্ডারী করা নয় বা তাদের আদেশ–নির্দেশ দেয়া নয়। শুধুমাত্র এমন এক পরিস্থিতিতে যখন প্রয়োজন উপস্থিত হয় এবং যখন গরিষ্ঠ অংশ মেনে নেয়,গুটিকয়েকমাত্র তখনো মেনে নেয় না তখনই আমরা বাধ্য হতে পারি সংখ্যাগরিষ্ঠের সিদ্ধান্তকে চাপিয়ে দিতে।
2015_10_29_15_16_04_1JwpRj0O6nlt045r7s5X1DXc25RO5b_original
শমসের মবিন চৌধুরী হঠাৎ বিএনপি থেকে পদত্যাগ করাতে পদত্যাগ নিয়ে আওয়ামীলীগ সরব,
এরা বলে শমসের মবিন মুক্তিযোদ্ধা, এরা বলে শমসের মবিন কাজের কাজটা করেছেন। আবার ঐ বাকশালের ইবলিশরা বলে : দলে দলে বিএনপির মধ্যে প্রকৃত মুক্তিযযোদ্ধারা বের হয়ে আসবেন। বন্ধুরা দেখুন লক্ষ্য করুন : আওয়ামীলীগ বলে এসেছে  বিএনপি রাজাকারের দল, বিএনপি স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি, ববিএনপি আর জজংগী সমার্থক শব্দ “একথা বলে বলে মায়া, হানিফ। কামরুলের মুখ দিয়ে রক্ত পড়ার জোগাড় আর এখন তারাই আবার বলছে বিএনপির মধ্যে যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা আছেন তারাও একে একে বেরিয়ে যাবেন, আজ সেই বেঈমান, ভন্ড নাসিম, কামরুল, মায়া, হানিফরাই বিএনপিকে অসিয়ত করছে ব্যাপারটা কি????? এ যেন ভূতের মুখে রাম নাম এখন যেন আওয়ামীলীগ শমসের মবিন চৌধুরীর আপন ভাই কিংবা মায়ের চেয়েও আপন, আপনি একটি কথা ভাবুন আওয়ামীলীগ কতটা নিচে নামলে, কতটা নির্লজ্জ হলে, কতটা বেঈমান, মোনাফেকি করলে ক্ষনে ক্ষনে তার রুপ পাল্টাতে পারে???? প্রথমেই বলা দরকার যে, ব্যক্তিগত কারনে যে কেউ দল থেকে পদত্যাগ করতেই পারেন, কিন্তু দেখতে হবে সে রাজনিতি থেকেই অবসর নিচ্ছেন না এক দল থেকে পদত্যাগ করে অন্য দিলে যাচ্ছেন???? দ্বিতীয় কথা হচ্ছে : সত্যিকারেই একজন রাজনীতিবিদ কখনোই রাজনীতি থেকে অবসর নিতে পারেন না। আর তাই প্রকৃত জাতীয়তাবাদী ব্যক্তি কোনদিন বা কোনচাপেই সে দল বা রাজনীতি ত্যাগ করতে পারেন না। যদিও শোনা যাচ্ছে শমসের মবিন সরকারী চাপে বাধ্য হয়ে পদত্যাগ করেছেন। আর তার পদত্যাগ পত্রে ছয়টি ভূল বিশেষ করে তার নিজের নাম লেখায় বানান ভূল সেই ধারনাকেই যেন সত্য বলে প্রমান করছে। তৃতীয়ত :::: বিএনপি বাংলাদেশে সর্ববৃহৎ রাজনৈতিক দল , তাই দুই চারজন স্বার্থপর দুধের মাছি চলে গেলে বিএনপির কিছুই হবেনা। রাজনীতিবিদ রাজনীতি ত্যাগ করলে সেই দলের কোন ক্ষতি হয়না। এটা বাকশালী মিডিয়া ষ্টান্টবাজি। তাই সাবধান থাকুন চতুর্থতম শমসের মবিন তো আমলা, দক্ষ আমলা ছিলেন, আর আমলা দিয়ে কি ত্যাগী আন্দোলন হয় কখনো? তাছাড়া তিনি তো বলেছেন যে, তিনি আর কোন রাজনৈতিক দলের সংগে যুক্ত হবেন না, তাহলে আওয়ামীলীগ এর এতে লাফালাফির মানেটা কি? এরা কি বুঝে লাফায়? না না বুঝে লাফায়?  আমি তো আশ্চার্যান্বিত হই কবে না যেন, আওয়ামীলীগ তাদের ননেত্রী হাসিনার মরনেও আনন্দে লাফালাফি শুরু করে বন্ধুরা, দেখুন এই শমসের মবিনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে আর তা করেছে আওয়ামীলীগ। জেলে ছিল এই শমসের মবিন কয়েকটি মাস, তখন শমসের মবিন কি শত্রু ছিল আওয়ামীলীগ এর, আর আজ বিএনপি থেকে পদত্যাগ করাতেই আওয়ামীলীগ এর বন্ধু হয়ে গেল? তাহলে আওয়ামীলীগ কি রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব এ ভুগছে নাকি? বিষয়টা এমন যে, তেতুলের আচার খাচ্ছেন অন্যজন আর আমার জিহবা দিয়ে পানি ঝড়ছে আবার ২০১৪ সালের ৩ রা আগষ্ট শেখ হাসিনা বলেছেন * শমসের মবিন বেঈমান কেন বলেছেন জানেন?
 12204697_1080182368667364_948427671_n
গত বছর শেখ হাসিনা কেনো সমশের মবিনকে “বেইমান” বলেছিলেন! কেনো? কারন, স্কুল জীবনে সমশেরে বা শেরুর বাসা ছিল ১৬ নম্বর, সেখান থেকে বহু গেছেন ৩২ নম্বরে হাসিনাদের বাসায়। সমশেরের সর্ব কনিষ্ঠ ভাই শাহানের সাথে হাসিনার ভাই শেখ কামাল ভাইয়ের ছিল অত্যন্ত কঠিন দোস্তি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় এটা সবাই জানত। এটা কেবল বন্ধুত্ব নয়, সবসময় একসাথেই থাকত। ৭৫-৭৫এ ঢাকা শহর জুড়ে কামালের মস্তানির এক নম্বর সাগরেদ ছিল শাহান। যাকে তাকে ধরে আনা, আবাহনী ক্লাবে আটকে টর্চার করা, গুলি করে মেরে ফেলা–শেখ কামালের এসব কীর্তির অন্যতম সাগরেদ ছিল এই শাহান। ১৯৭৪ সালের ষোলোই ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলে বাংলাদেশ ব্যাংক ডাকাতি করতে গিয়ে কামাল যখন পুলিশের গুলি খায়, তখন শাহানও গুলি খেয়ে আহত হয়। হাসপাতালে গিয়ে অনেকেই দেখে শেখ কামালের সাথে সমশের মবিনের ভাই শাহান, মনির, বরকতসহ আরও একজন গুলির আঘাতে কাতরাচ্ছে। তো, ব্যাংক ডাকাত শাহানের ভাই এই শেরু বিএনপি করে ক্যামতে? হাসিনা তারে বেইমান বলবে না কেনো?
12048709_1080184078667193_1470898193_n
“বিএনপিতে নাকি জিয়া নেই” আট বছর পরে সমশেরের আবিস্কার!
যতটা তার পাওনা ছিল, সমশের মুবিনকে বিএনপি দিয়েছে তারো চেয়ে বেশী। সরকারে থাকতে রেগুলার অফিসারদের বাদ দিয়ে তাকে বানানো হয় পররাষ্ট্র সচিব, তারপরে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত। কেবল ক্রিম আর ক্রিমে মাখামাখি! এরপরে ২০০৮ সালে পার্টিতে জয়েন করার পরে ভাইস প্রেসিডেন্ট, বাট ক্ষমতায় হি ওয়াজ নেস্কড টু চেয়ারপারসন, যেটা সারা জীবনভর রাজনীতি করেও মানুষ পায় না। ক্ষমতা পেয়েই তিনি তার দুই সাবেক বস মোর্শেদ খান ও রিয়াজ রহমানকে ল্যাং মেরে ফেলে দিয়ে মাথায় উঠে বসলেন- ওয়াশিংটন, পশ্চিমা বিশ্ব, জাতিসংঘ, মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া- সর্বত্রই দিল্লিপন্থী সমশের! বিএনপি ক্ষমতায় এলে তার পররাষ্ট্র মন্ত্রী হওয়া ছিল সময়ের ব্যাপার মাত্র। এই স্বপ্নে বিভোর হয়ে বিএনপির সারা দুনিয়ার কূটনীতি একাই মাথায় নিলেন সমশের! প্রায় ২ ডজন সাবেক রাষ্ট্রদুত গুলাশান অফিসে কাজ করতে চাইলেও মুবীন সাহেব তাদের ফিরিয়ে দিলেন! অবশেষে ৩০ ডিসেম্বর ২০১৩ ডিবির হাতে ধরা খাওয়ার পরে কী এমন বড়ি গিললেন যে ৬ ঘন্টার মধ্যে ফেরত আসলেন, তারপরে আ’লীগ একতরফা ইলেকশন নিয়ে এগিয়ে গেলো। দুর্জনেরা বলেন, দেশের যে অবস্থা তখন, তাতে বিএনপির কোনো পর্যায় থেকে ক্লিয়ারেন্স ছাড়া আ’লীগ অমন সাহস করেনি? তবে কে সে ক্লিয়ারেন্স দিলো? মবীন সাহেব নয় তো? অবশেষে ৫ জানুয়ারীতে আ’লীগ দ্বারা ধর্ষিত হলো গণতন্ত্র। সমশের সাহেব যদি এতই কর্মবীর হবেন, তবে ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেন ঠেকাতে পারতেন। তা তিনি করেননি, ওয়াশিংটনে বসে বসে কেবল বোতল খালি করেছেন! ইফতেখার চৌধুরি ছিল তার কাজিন, যাকে অবসরের পরেও ৩ বছর চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়ে বেগম জিয়া রেখেছিলেন জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি পদে। তিনি নিউইয়র্কে বসে জেনারেল মইনের সঙ্গে ১/১১ নিয়ে এতটাই জড়িত হয়ে পড়েন যে, ইফতেখারের হওয়ার কথা ছিল প্রধান উপদেষ্টা। শুধু সময়ের ফেরে পরে দেশে আসতে দেরী হওয়ায় শিকা ছিড়ে ফখরুদ্দিনের কপালে। সে আবার ইফতেখারের বোনের জামাই! ওয়ান ইলেভেন হওয়ার পরেও সমশের ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত পদে চালিয়ে যান। তাকে হার্মফুল মনে করেনি মইন-ফখর-ইফতেখাররা। মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও ৫ মাস রাখে সেখানে। ইতিহাস কথা কয়। এখন দল বিপদে আছে, তাই পদ ছাড়ার আগে সমশের দেখছেন, বিএনপি জিয়ার পথে নাই! কিন্তু সরকারে ও দলে ক্রিম খাওয়ার সময় মনে ছিল না? কিন্তু সমশের যা করেন, 3W, সেটা কি জিয়ার আদর্শ? জিয়া জীবিত থাকলে সমশের সাহেব দলের প্রাইমারী মেম্বারও হতে পারতেন না, এটাই বাস্তবতা। এখন লম্বা লম্বা কথা দেখে মনে পড়ে গেলো- নিমকহারাম আর বেশ্যাদের কোনো ছলের অভাব হয় না!
দলবাজি, গ্রুপিং , দল ভাংগায় তৎপরতাকারী এসব সকল বেঈমান মোনাফিক থেকে সাবধান। উদাহরন সরুপ : বিশ্বস্ত নির্ভেজাল গোয়েন্দাসুত্রে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে যে, বিএনপিকে ভেংগে শেখ হাসিনার অধীনে আবার একটি পুতুলসর্বস্ব নির্বাচন আয়োজনে এবং বিএনপির ভগ্নাংশকে নির্বাচনী ডামাডোল এ এনে দেশবাসী আর বিদেশী শক্তিকে ধোকা দেয়ার নিমিত্তে শুরু হয়েছে মোনাফেকি খেলা। সেই গোয়েন্দাসুত্রমতে, গত ২৬ শে অক্টোবর রাত ৯.৪৫ মিনিটের দিকে হোটেল লেকশোর এ একে একে জড়ো হতে থাকেন নাজমুল হুদা, আবু হেনা , শহীদুল হক জামাল, জহির উদ্দিন স্বপন, মেজর হাফিজ, মেজর জেনারেল ( অব:) মাহাবুব, খোকা ও মওদূদ ( টেলিকনফারেন্সে যুক্ত ছিলেন) , আমানুল্লাহ আমান, মফিকুল ইসলাম তৃপ্তি, শাখাওয়াত হোসেন বকুল, খাইরুল কবির খোকন, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, মারফ কামাল সোহেল গংরা সহ ৭৭/৭৮ জন সাবেক মন্ত্রী, সাবেক এম,পি আমলারা উপস্থিত ছিলেন, এরা সবাই সংগঠন বিরোধী কাজে লিপ্ত আগেও ছিল, এখনো আছে, এরা সবাই তারেক জিয়া এবং ম্যাডামের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করে কথা বলে থাকেন, এরাই দলের মধ্যে গ্রুপিং আর তলে তলে শেখ হাসিনার স্বার্থ রক্ষায় সদা ব্যস্ত, তাই বিএনপির হাইকমান্ডকে আরো মনিটির করে এদের ব্যাপারে বাস্তবিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানাচ্ছি।
লেখকঃ ডঃ সাইফুল ইসলাম, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ।
সম্পাদনাঃ মোঃ মাইনুল ইসলাম, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
11750667_1028726510479617_8034579615826247723_n