আমরা ভুলি নাই….!!

0

আজ খিলগাঁও থানা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক শহীদ নুরুজ্জামান জনির জন্মবার্ষিকী ।

গত ১৯শে জানুয়ারি সোমবার ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে থেকে অতি উৎসাহী পুলিশ গ্রেপ্তার করে জনিকে এবং রাত ১টা জোড়পুকুর বালুর মাঠে নিয়ে একে একে ১৬ টি গুলি করে হত্যা করা হয় ঢাকার রাজপথের লড়াকু সৈনিক খিলগাঁও থানা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক শহীদ নুরুজ্জামান জনিকে।

জনিকে গত ২৮ ডিসেম্বর আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। থানায় গেলেও জিডি (সাধারণ ডায়েরি) নেওয়া হয়নি। পরে সাতদিন পর তার লাশ ফেরত দেয় র‌্যাব।

রবিবার রাত আড়াইটার দিকে র‍্যাবের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জনির নিহত হওয়ার কথা অস্বীকার করে এ দাবি করেন তার স্বাজনরা।

জানা গেছে, ছাত্রদল নেতা জনি রূপনগর আবাসিক এলাকার ২৫/৩১ নম্বর বাড়ির বাসিন্দা ছিলেন। তিনি কুমিল্লার মুরাদনগর থানার বৈলঘর গ্রামের মৃত জামাল সরকার ওরফে ছোট্টু মিয়ার ছেলে। ছাত্রদলের রাজনীতির পাশাপাশি তিনি এলাকায় ঝুট ব্যবসা করতেন।

জনির ভগ্নিপতি সেলিম রেজা জানান, ২৮ ডিসেম্বর ভোরে জনিকে রূপনগর আবাসিক এলাকার ২৫/৩১ নম্বর বাড়ি থেকে আইনশৃংখলা বাহিনীর পরিচয়ে তুলে নেয়া হয়। পরিবারের সদস্যরা রূপনগর থানায় জিডি করতে গেলেও পুলিশ জিডি নেয়নি। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।

পরিবারের সদস্যদের অভিযোগ, জনি কোনো অন্যায় করলে তাকে শাস্তি দেবে আদালত। কিন্তু তার আগেই র্যাব সদস্যরা তাকে গুলি করে মেরে ফেলল কেন?

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন তার ভগ্নিপতি সেলিম রেজা।

র‍্যাব-৪-এর উপ-অধিনায়ক মেজর আবু সাঈদ খান সাংবাদিকদের জানান, জনি ও তার দলের সদস্যরা মিলে রূপনগরে ইস্টার্ন হাউসিং এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা করছে- এমন তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব অভিযান চালায়। জনি ও তার লোকজন র‍্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে গুলি ছুড়ে। আত্মরক্ষার্থে র‍্যাবের সদস্যরাও পাল্টা গুলি করেন। এতে জনি গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর অবস্থায় জনিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সাড়ে ৪টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

নাদিফুজ্জামান নহর নামে জনির ৯ মাস বয়সী একটি ছেলে আছে । যেই জন্মের ২ মাস আগেই এতিম হয়ে যায় ।

আজকের এইদিনে শহীদ জনির আত্মার মাগফেরাত কামনা করি..। মহান আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতবাসী করেন আমিন…।