আবারও মিথ্যাচারিতায় হাসিনা: আন অফিসিয়াল বৈঠকে কানাডার সাথে চুক্তির সংবাদ ভুয়া

0

বাংলাদেশের অবৈধ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জুতা, থুথু, ঝাড়ু আর দুযোধ্বনি শুনেও লজ্জা হয় নি। আদালত কর্তৃক ঘোষিত রংহেডেড হাসিনার কোন অপমানেই লজ্জা হয় না। প্রতিবার লন্ডনে গেলে পঁচা ডিম, জুতা ও ঝাড়ুর বাড়ি খেয়ে আমন্ত্রিত হয়। হাসিনা যে দেশেই সফরে যাক সে দেশের বাংলাদেশিরা ‘গো ব্যাক, গো ব্যাক’ স্লোগানে মুখর হয়ে ওঠে। তবুও মোটেও লজ্জা নেই হাসিনার।

রাষ্ট্রীয় টাকা দিয়ে লবিং করে হাসিনা পুরস্কার (সাউথ সাউথ) আর খেতাব কিনার চেষ্টা করে আর চেষ্টা করে কোনরকম ধরে টরে কোন বিশ্ব নেতার সাথে এটা মিটিং বা ফটোসেশন করার জন্য। ব্যস, গেজেটেড কেরানি সাংবাদিকগুলো সেটাকে এমন ফলাও করে প্রচার করে যে শেখ হাসিনা যেন একজন বিশ্বনেতা। বা বিশ্বপরিসরে হাসিনাকে গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।

আসল বাস্তবতা হলো ৫ জানুয়ারি ২০১৪ এর নির্বাচনের পর শেখ হাসিনাকে বিশ্ব বৈধ প্রধানমন্ত্রী মনে করেন না। এমনকি একজন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাকে গুরুত্ব বা যথাযথ সম্মানও দেন না কোন রাষ্ট্র। যুক্তরাজ্যে যতবার হাসিনা সফর করেন ততবার গণবিক্ষোভের মুখে পড়ে পালিয়ে যেতে হয়। কিন্তু হাসিনার জন্য ব্রিটিশ সরকার তেমন কোন নিরাপত্তা বা গার্ড অব অনারের ব্যবস্থা করেন না। হাসিনার সামান্য মূল্য নেই বিদেশের মাটিতে। বিদেশের মাটিতে হাসিনা দেশের ইজ্জত নষ্ট করছে। লবিং টবিং করে ফটোসেশন করে সেটাকে বৈঠক হিসেবে চালানোর চেষ্টা করে গৃহপালিত খোয়াড়ের সাংবাদিকগুলোকে দিয়ে।

প্রতিবারের মতো এবারও শেখ হাসিনার এই মিথ্যাচার প্রকাশ হয়ে গেছে। কোন বড় নেতা বা রাষ্ট্রপ্রধানকে ম্যানেজ করতে না পেরে এবার কানাডার প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক ও সে বৈঠক থেকে চুক্তির ভুয়ো ও সম্পূর্ণ মিথ্যা সংবাদ প্রচার করছে বাংলাদেশের আজ্ঞাবহ হলুদ গণমাধ্যমগুলো।

বাস্তবতা হলো- কানাডার হোটেল লবিতে শেখ হাসিনার সাথে মাত্র ২০ মিনিটের বৈঠক হয়েছে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রডোর। শেখ হাসিনার সাথে কানাডার প্রধানমন্ত্রীর এই বৈঠক ছিল একান্ত ব্যক্তিগত কিন্তু আমাদের মিডিয়া সেটাকে অফিসিয়াল বৈঠক হিসাবে প্রচার করছে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রীর ওয়েবসাইটের শিডিউল থেকে জানা যায় যে, ১৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ৩য় বিশ্বের গরিব দেশ হিসাবে তার এই বৈঠক হয়। এই বৈঠক কানাডার প্রধানমন্ত্রীর অফিসে না হয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল হোটেল লবিতে যা শিডিউলের তালিকায় ঠিকানা উল্লেখ আছে। এই লিংক ঘুরে দেখে আসুন বৈঠকের শিডিউল – https://goo.gl/EOCRRx

কিন্তু আমাদের দেশের দালাল মিডিয়া প্রচার করে বেড়াচ্ছে কানাডার সাথে নাকি বাংলাদেশের অনেক বড় চুক্তি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা হয়েছে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রডোর সাথে শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত ২০ মিনিটের বৈঠকে যে বড় বড় চুক্তি কথা বলা হচ্ছে সব ভুয়া প্রচারণা।

শেখ হাসিনা অবৈধভাবে ক্ষমতায় থাকতে যেভাবে নির্লজ্জ হয়ে ভারতের সেবাদাসে পরিণত হয়েছে, ঠিক একইভাবে টাকার বিনিময়ে পুরস্কার কিনে এবং বিশ্বনেতাদের সাথে স্বাভাবিক বৈঠককে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে দ্বিপাক্ষিক, গুরুত্বপূর্ণ ও চুক্তি সইয়ের ভুযো খবর রটিয়ে দিয়ে ইমেজ রক্ষার চেষ্টা করছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, হাসিনা বিশ্বে একজন গুরুত্বহীন নেতায় পরিণত হয়েছে। যেমনটি আমরা দেখেছি গৃহপালিত বিরোধীদলের নেত্রী রওশন এরশাদের ক্ষেত্রে। জন কেরির কাছে নিজের পরিচয় সম্বলিত কার্ড দিয়ে অনুষ্ঠান থেকে বিদায়ের সময় হাঁটা পথে মিনিট খানেক সৌজন্যমূলক কথাবার্তাকে বৈঠক হিসেবে প্রচার করেছে বাংলাদেশের হলুদ গণমাধ্যমগুলো।