আওয়ামী সরকারের সহায়তায় বাংলাদেশে বিদেশীদের হত্যা করছে ভারতীয় গোয়েন্দারা !

0

জিসাফো ডেস্কঃ বাংলাদেশে যে সকল বিদেশিকে হত্যা করা হচ্ছে বা হত্যার চেষ্টা হচ্ছে তারা অধিকাংশই দক্ষিন এশিয়ার এই দেশটিতে ন্যাটোর স্বার্থের সাথে জড়িত বলে জানা গেছে। আর তাদের উপর পরিকল্পিতভাবেই এই হত্যাকাণ্ড চালাচ্ছে ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। বাংলাদেশের গোয়েন্দারা এটি জানলেও তারা মুখ খুলছে না। অন্যদিকে সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীর সম্ভাব্য হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদীদের একটি গেরিলা সংগঠনের কাজ শুরু হচ্ছে বলে জানা গেছে। যদিও এই গেরিলাদের উপর বিএনপি নেতৃত্বের কোন কর্তৃত্বই থাকছে না।

বাংলাদেশে পাশ্চাত্যের ও মধ্যপ্রাচ্যের নাগরিকদের উপর একেরপর এক হামলায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে ন্যাটো দেশগুলো; কিন্তু প্রায় ৩০ লাখ অবৈধ ভারতীয় থাকার পরেও ভারতীয়দের মধ্যে কোনই উদ্বিগ্নতা পরিলক্ষিত না হওয়ায় পাশ্চাত্যের গোয়েন্দাদের কাছে বিষয়টি বিস্ময়ের সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশে কাজ করা সকল বিদেশী গয়েন্দারাই জানে যে প্রায় ২ লাখ ভারতীয় স্লিপার সেল কাজ করছে। কেবলমাত্র ১৯৭৫ এর পরেই প্রায় কয়েক হাজার ভারতীয় স্লিপার সেলের গোয়েন্দা জেনারেল জিয়াউর রহমান গুম করে দিতে সক্ষম হয়েছিলেন। যে কারনে জেনারেল জিয়া আজো ভারতীয়দের কাছে অগ্রহণযোগ্য।

এদিকে একটি অসমর্থিত সুত্র জানিয়েছে বাংলাদেশে বিক্ষুব্ধ জাতীয়তাবাদীরা একটি গেরিলা বাহিনী গড়তে চাচ্ছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা পুরোটাই এখন ভারতীয়দের হাতে চলে যাওয়ার পরেও জাতীয়তাবাদী নেতাদের ভারত তোষণ নিতিতে বিরক্ত হয়েই দলের ভেতরে হত্যা জুলুমের শিকার একটি গ্রুপ এ সিদ্ধান্তে আগাচ্ছে বলে জানা যায়। দলের সিনিয়র নেতা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে বিচারিক হত্যাকাণ্ডের পরেই এ গেরিলা বাহিনী আঘাত শুরু করতে পারে। সেক্ষেত্রে এই গেরিলাদের লক্ষ্যে পরিনত হবে আওয়ামী যে কোন স্তরের নেতৃত্ব, পুলিশ ও র‍্যাবের যে কোন স্তরের অফিসার, বিচারক, পদস্থ হিন্দু অফিসার এবং বিশেষ করে বাংলাদেশে অবস্থানরত অবৈধ ভারতীয় স্লিপার সেলের কর্মীরা। এদিকে বাংলাদেশের মাওবাদীরা নতুন যে কোন গেরিলা বাহিনীকে সহায়তা প্রদানেরও সম্ভাবনা রয়েছে। উল্লেখ্য যে বাংলাদেশের মাওবাদীরা আন্তর্জাতিক মাওবাদী সংগঠনের অংশ হিসেবে ভারত ও নেপালের মাওবাদীদের সাথে সম্পৃক্ত।

তবে এই বিষয়গুলো ডিজিএফআই অফিসে অবস্থারত ‘র’ এর অফিসারদের ভাবিয়ে তুলছে। বাংলাদেশে এমন অবস্থা শুরু হলে বাংলাদেশের সকল বাহিনী ও গোয়েন্দারাও এর ফায়দা নেয়া শুরু করবে। তারাও গেরিলাদের অজুহাত দিয়ে ভারতীয় গোয়েন্দাদের গুম করা শুরু করবে। কারন ইতিমধ্যেই বাংলাদেশে ভারতীয়দের উপস্থিতি বাংলাদেশের সকল বাহিনী ও গোয়েন্দাদের অস্বস্তির কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। পাশ্চাত্যের গোয়েন্দাদের বাংলাদেশের উপস্থিতির জন্যও ভারতীয়দের হটানো জরুরী বলেও মনে করছে পাশ্চাত্যের গোয়েন্দারা। কারন ভারত যেকোন মুল্যে যুক্তরাষ্ট্র বা ন্যাটোর কোন উপস্থিতি প্রতিহত করতে বদ্ধ পরিকর ভারতীয় পক্ষ। সেই সাথে পাকিস্তান বা চীনের অবস্থানের বিষয়টিতে ভারতের বিরোধিতাতো রয়েছেই।

বাংলাদেশের সামরিক সক্ষমতা ও উন্নয়নে চীন ও পাকিস্তানের রয়েছে সরাসরি অংশগ্রহন ও স্বার্থ। সেক্ষেত্রে চীন, পাকিস্তান ও সৌদি স্বার্থকে ভারতীয়রা এককভাবে হটিয়ে দেয়ার যে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তাও বুমেরাং হতে বাধ্য বলেই গোয়েন্দারা মনে করছেন। ভারত একাই নিজের স্বার্থে বাংলাদেশ থেকে ন্যাটো, চীন ও পাকিস্তানকে হটিয়ে নিজের দখল বজায় রাখতে পারবে কিনা তাও বিবেচিত হচ্ছে। তবে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী ও গোয়েন্দা মহল কেবলমাত্র ভারতের পক্ষে থেকে বিশাল বিশ্ব শক্তিগুলোর রোষানলে পড়বে কিনা তা নতুন করতে ভাবতে শুরু করেছে। কারন এমন কোন প্রতিযোগিতা শুরু হলে তাঁর অশুভ প্রভাব বাংলাদেশী অফিসার ও বাহিনীর যে কারুর পরিবারের উপরও আঘাত করতে পারে। বাংলাদেশী পক্ষগুলো নিজেরাই ভেতরে ভেতরে ভারতীয়দের বিরুদ্ধে পাশ্চাত্যের পক্ষে কাজ করা শুরু করেছে। হয়তো সহসাই এর বাস্তব কার্যক্রমও দৃশ্যমান হওয়া শুরু হবে।

দক্ষিন এশিয়ার একমাত্র দেশ বাংলাদেশ যার স্ট্রাটেজিক ভ্যালু ন্যাটোর কাছে অপরিসীম। চীন ও পাকিস্তানের জন্য এটি ডিফেন্স লাইন। ভারতের অখণ্ডতার একমাত্র রক্ষা কবজ। তাই বাংলাদেশকে কেউই হারাতে চায় না।

তাই সামনে এক জমজমাট গোপন গোয়েন্দা ও গেরিলা যুদ্ধ ক্ষেত্রে পরিনত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশের মাটি এমনটি ধারনা করছেন নিরাপত্তা সচেতন মহল।