“আওয়ামি” একটি ভয়ংকর ভাইরাস,যার দ্বারা আক্রান্ত স্বাধীন বাংলা!

0

সর্বপ্রথম বাংলাদেশের ভয়াবহ নয় মাসের যুদ্ধে নেতৃত্বশূন্য করে বিরোধী দেশের একটি গবেষণাগারে আটকে ছিলেন কিছু ভাইরাস।লক্ষ লক্ষ দেশপ্রমিক শহীদ যোদ্ধা এবং মা-বোনের জীবনের বিনিময়ে প্রাপ্ত স্বাধীনতা উপভোগ করার আগেই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে এক ভয়বহ ভাইরাসের সৃষ্টি হয়।এই ভাইরাস HIV,AIDS,ক্যান্সার,অটিজম সহ পৃথিবীর সব ভাইরাসের চেয়েও ভয়ংকর ভাইরাস।

৭২ পরবর্তী সময়ে এই ভাইরাসের সৃষ্টি হয়।পরবর্তীত প্রায় ৩ বছর এই ভাইরাসের স্থায়িত্ব থাকে।স্বাধীনতার পর এমন ভাইরাস আক্রমন পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল! এমনকি হিটলার,ইহুদি,ইসরায়েলের চেয়েও ভয়ংকর এই ভাইরাস। এই ভাইরাসের উতপত্তি স্থল ভারত নামের একটি নষ্ট “কোষ” হলেও এটি বাংলাদেশে চেপে বসার জন্য এহেন কোন কাজ নেই যেটা করত না।তৎক্ষালীন বাংলার সাধারন সব মানুষ এই ভাইরাসের উৎপাতে অতিষ্ট হয়ে গিয়েছিল।হাজার হাজার ভাইরাস বিরোধী সাধারন ডাক্তারকে “রক্ষীবাহিনী” নামক মূল ভাইরাসের একটি উপ-ভাইরাস হত্যা করেছিল।ঐ সময় অনেক বড় বড় ডাক্তার ভাইরাসের চামড়া দিয়ে “ডুগডুগি” আবিষ্কারের কথা বললেও বর্তমানে নতুন একটি ভাইরাস উল্টো তাদেরকেই ডুগডুগি বানিয়ে রেখেছে। ৭১ পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলার অবস্থা যখন পরাধীন পাকিস্তানের চেয়েও খারাপ হয়ে যায়।বাংলার প্রত্যেক ঘরে ঘরে ভাইরাস আক্রমন করে।ঠিক তখনই (৭৫ সালে) কিছু ডাক্তার বাংলাদেশকে ভাইরাস মুক্ত করে। যাওয়ার সময় ভাইরাস মানুষের এমন ঘৃনা সাথে করে নিয়ে যায় যার ফলে তৎক্ষালীন বাংলার একটা বিশাল সময় শতবার চেষ্টা করেও ভাইরাসটি সরাসরি বাংলাদেশে আক্রমন করতে পারেনি।এরপর বিভিন্নভাবে বাংলাদেশে ভাইরাস আক্রমন করার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হয়।

বাংলার কিছু ডাক্তারের ভুল চিকিৎসার ফলে আবারও এই ভয়াবহ ভাইরাসের একটি কোষ আক্রমন করে।এবার ভাইরাসটির কয়েকটি উপশাখা সৃষ্টি হয়।মজার ব্যাপার হল এখনও ভাইরাসটির উৎপত্তি স্থল হল “ভারত” নামের একটি নষ্ট “কোষ” থেকে।তবে এবারের ভাইরাসটি গত যুগের সব ভাইরাসের রেকর্ডকে হার মেনে নিয়েছে।

আজকেও বাংলার প্রত্যেক ঘরে ঘরে,নদীতে,খালে,নালা,ডুবা,সাধারন মানুষ,মুসলমান,সংখ্যালঘু বৌদ্ধ-খৃষ্টান,বিএনপি-জামায়ত সহ সারা বাংলার ডাক্তারেরা এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে।এই ভাইরাসের আক্রমনের ফলে প্রতিদিনই খুন হচ্ছে ডাক্তারেরা।ভাইরাসটি এমনই ভয়ংকর যে,নিজের কোষের অংশও নিজে খেয়ে ফেলে।বাংলার ডাক্তারের পেটের বাচ্ছা পৃথিবীর আলো দেখার আগেই অন্ধারের হারিয়ে যাচ্ছে।

বাংলার ডাক্তারদের এখন একটিই প্রশ্ন,”কবে বাংলার মাটি থেকে এই ভাইরাস মুক্ত হবে?” “কোন ডাক্তার এই বাংলার পবিত্র মাটিকে ভাইরাস মুক্ত করবে?”

(বি দ্র:-এটি একটি রম্য রচনা,যদি কারও সাথে মিলে যায় তাহলে সেটা হবে বাকশালীয় sorry কাকতালীয়।তার জন্য কোন ডাক্তার দায়ী নয়।

লেখাঃ ডাঃ ইরফান