অনন্য ও আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া

0

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।স্বাধীনতার প্রথম ঘোষক,প্রথম রাষ্ট্রপতি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী,৩ বারের সফল প্রধানমন্ত্রী,কোটি মানুষের ভালবাসার প্রতীক।জীবনের অর্ধেক অংশই যার কেটেছে এদেশের কথা চিন্তা করে,এদেশের মানুষের কথা চিন্তা করে।৭২ বছরের প্রায় ৩৫ বছরই তাঁর কেটেছে রাজনৈতিক পদচারণায়।জিয়াউর রহমানের মত ঘুরেছেন এদেশের প্রতিটি প্রান্তরে।রাজনীতিতে যার অবস্থান অনন্য।সেই অনন্যতায় ঘেরা আমাদের দেশমাতা।

লালদীঘি ময়দানে যখন শেখ হাসিনার ওপর এরশাদের পুলিশ বাহিনী গুলি চালিয়ে মানুষ খুন করেছিলো তখন ঢাকায় তার প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

১/­১১ এর পর মিগ-ফ্রিগেট-বার্জমাউন্ট­েন-উৎকোচ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় যখন শেখ হাসিনাকে একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল বহির্ভূতভাবে টেনে হিঁচড়ে আদালতে নেয়া হয়েছিলো, তখন গৃহবন্ধী থাকা অবস্থাতেও সংবাদ মাধ্যমে এর প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

শেখ হাসিনার স্বামী প্রখ্যাত পরমানু বিজ্ঞানী ড. ওয়াজেদ মিয়া ইন্তেকাল করার পর নিজে তার বাসায় গিয়ে শেখ হাসিনাকে জড়িয়ে ধরে সান্তনা দিয়েছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।

একজন সংবেদনশীল মানুষ হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া যেমন হেফাজতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকের ওপর চলা হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন, তেমনি তিনি অধ্যাপক আনু মোহাম্মদের ওপর হামলার প্রতিবাদও করেছেন। নিজের দলের গুম-খুন হওয়া নেতাকর্মীদের আত্মীয়-স্বজনদের যেমন তিনি দেখতে গিয়েছেন। ঠিক তেমনি নিজের বিপক্ষ দল আওয়ামী লীগের গুম-খুন হওয়া নেতা-কর্মীদের পরিবারকেও দেখতে গিয়েছেন। আবার সাগর-রুনি, আমিনুলের মত নির্দলীয় মানুষের হত্যার প্রতিবাদও বেগম খালেদা জিয়া সমান গুরুত্ব দিয়ে করেছেন।

একজন জাতীয়তাবাদী কখনো দেশের মানুষকে দল, ধর্ম, পেশার ভিত্তিতে আলাদাভাবে বিচার করেন না। তিনি মনে করেন ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। সেই কারণেই বেগম খালেদা জিয়াকে বলা হয় ‘মাটি ও মানুষের মা’, সেই কারণেই তিনি ‘দেশনেত্রী’।

একজন রাজনীতিবিদের কাজই হচ্ছে নিপীড়িতের অধিকার নিয়ে রাজনীতি করা। রাজনীতির মুখোশ পরে খুন-হত্যাকে সমর্থন এবং সেই খুনের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য খুনী বাহিনীকে টিকিয়ে রাখার জন্য ‘অপরাজনীতি’ করা নয়।

রাজনীতি ও অপরাজনীতি দুইটি ভিন্ন প্রবাহ।অপরাজনীতি হল দূষিত রক্তের ন্যায়।যে রক্ত বিশুদ্ধতাকে নষ্ট করে দেয়।আজ এই দেশ সেরকমই এক অপরাজনীতির মধ্য দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে যেখানে দেশমাতা আজ বিনা অপরাধে অন্ধ কারাগারে দিন যাপন করছেন।

তবে সুদিন ফিরবে।দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার হাতেই ফিরবে বিশুদ্ধ রাজনীতির প্রবাহ।দেশনেত্রী হাত ধরেই ফিরবে আমাদের হারিয়ে যাওয়া গণতন্ত্র।দরকার শুধু অপেক্ষা আর দোয়া প্রার্থনা।আল্লাহ তায়ালা যেন তাকে  ততদিন পর্যন্ত হায়াত দারাজ করেন।আমিন।